শক্তিশালী দল গড়েও স্বস্তি নেই মোহামেডানে
ক্রীড়া প্রতিবেদক
ঘরোয়া ফুটবলে অনেক দিন পর শক্তিশালী দল গড়েছে ঐতিহ্যবাহী ঢাকা মোহামেডান। বিশেষ করে লোকাল কালেকশনে জুড়ি নেই তাদের। সাদ, ফাহিম, সোহেল রানা (ছোট), রিমন, ইমন, জিকোদের মতো পরিচিত ফুটবলাররা যোগ দেওয়ার পাশাপাশি নতুন কিছু তরুণ খেলোয়াড় দলে ভিড়িয়েছে তারা। গেল মৌসুমে ভালো পারফর্ম করাদেরও ধরে রেখেছে। ঢাকঢোল পিটিয়ে দলবদল সম্পন্ন করার পরও নাকি ক্লাবে স্বস্তি নেই, মতবিরোধ দেখা দিয়েছে। আর তা বিদেশি কালেকশন নিয়ে। গতবারে খেলা উজবেকিস্তানের মোজাফররভকে শুধু রেখে দিয়েছে। বাকিদের বেলায় টিম ম্যানেজমেন্ট আগ্রহই দেখায়নি।
দিয়াবাতে, সানডে ও টনিকে ফিরিয়ে আনলেও মোহামেডানের একপক্ষ নাকি খুশি নয়। নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এক পরিচালক জানালেন, ‘কয়েকটি দলের নিষেধাজ্ঞা থাকায় দলবদলের কর্মসূচিতে অংশ নিতে পারছিল না তারা। সুযোগটা কাজে লাগিয়ে ক্লাবের উচিত ছিল যাচাইবাছাই করে বিদেশি ফুটবলার ঠিক করা। গতবারে না খেললেও দিয়াবাতে ক্লাবের পরীক্ষিত বিদেশি। তার অবদান স্বীকার করতেই হবে। দুই নাইজেরিয়ান সানডে ও টনি দুজনায় ক্লাবকে ভালো সার্ভিস দিয়েছেন। কিন্তু তাদের খেলার ধার আগের মতো নেই। তা গত মৌসুমে কিংস ও আবাহনীতে প্রমাণ পেয়েছি। দিয়াবাতে আবাহনীতে নিয়মিত ছিলেন। কিন্তু সানডে ও টনিকে সেরা একাদশে নামানোর প্রয়োজন মনে করেনি বসুন্ধরা কিংস। দ্বিতীয় লেগে রিজার্ভ বেঞ্চেও দেখা যায়নি। এদের তাড়াহুড়ো করে কেন নেওয়া হলো তা বুঝতে পারছি না।’ আরেক পরিচালক বেশ ক্ষোভের সঙ্গে জানালেন, ‘মোহামেডানে এবার দলবদলের কাজটি করেছেন মূলত দুজন। অন্যদের পরামর্শ নেওয়ার প্রয়োজনই মনে করেননি। কিংস ও আবাহনী তো আছেই, অন্য দলগুলোও বুঝেশুনে বিদেশি ফুটবলার সংগ্রহ করেছে। অন্যরা সাফের ফুটবলার নিলেও সেদিকেও ক্লাব নজর দেয়নি। বিগ বাজেটে দল গড়েও মোহামেডান অনুশীলই শুরু করতে পারেনি। ব্যর্থতা ঢাকতে এখন নানা অজুহাত দেখানো হচ্ছে। জানি না শেষ পর্যন্ত ক্লাবের কপালে কী আছে?’
