শ্রীনগরে চোরাইকৃত গরু উদ্ধার, চক্রের ২ সদস্য গ্রেপ্তার
মুন্সীগঞ্জ প্রতিনিধি
মুন্সীগঞ্জের শ্রীনগরে পুলিশের বিশেষ অভিযানে চোরাইকৃত একটি ষাঁড় গরু উদ্ধার এবং আন্তঃজেলা গরুচোর চক্রের দুই সদস্যকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।
পুলিশ জানায়, শ্রীনগর উপজেলার শ্যামসিদ্ধি ইউনিয়নের মত্তগ্রাম এলাকার বাসিন্দা ছায়েদ মৃধা (৭২) গত ১৭ জুলাই সকালে ঘুম থেকে উঠে দেখেন, গোয়ালঘরে থাকা সাতটি গরুর মধ্যে একটি ১৮ মাস বয়সী কালো রঙের ষাঁড় গরু নেই। পরবর্তীতে তিনি শ্রীনগর থানায় অভিযোগ দায়ের করেন।
মামলার তদন্তে পুলিশ জানতে পারে, ১৬ জুলাই রাত থেকে ১৭ জুলাই ভোরের মধ্যে কোনো এক সময় দুর্বৃত্তরা গোয়ালঘরে প্রবেশ করে গরুটি চুরি করে নিয়ে যায়।
মামলা রুজুর পর পুলিশ সুপার মো. মেনহাজুল আলম, পিপিএম-এর দিকনির্দেশনায় এবং শ্রীনগর থানার অফিসার ইনচার্জের নেতৃত্বে পুলিশ পরিদর্শক (তদন্ত) ও এসআই মো. মোয়াজ্জেম হোসেনসহ একটি চৌকস দল অভিযান শুরু করে। গোয়েন্দা তথ্য বিশ্লেষণ করে সিরাজদিখান, লৌহজং, পদ্মা সেতু উত্তর এলাকা এবং শ্রীনগরের বিভিন্ন স্থানে অভিযান চালানো হয়।
অভিযানের একপর্যায়ে গত ২১ জুলাই শ্রীনগরের পাটাভোগ ইউনিয়নের ছনবাড়ি এলাকা থেকে আন্তঃজেলা গরুচোর চক্রের সদস্য মাহিদুল ইসলাম (৩৭) এবং পাটাভোগ এলাকা থেকে সোহেল ব্যাপারী (৩৮)-কে গ্রেপ্তার করা হয়।
গ্রেপ্তারকৃতদের দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে পাটাভোগ এলাকার একটি পরিত্যক্ত ঘরের সামনে আমগাছের সঙ্গে বাঁধা অবস্থায় চোরাইকৃত কালো রঙের ষাঁড় গরুটি উদ্ধার করা হয়। পরে গরুটি জব্দ করে পুলিশ।
গ্রেপ্তার মাহিদুল ইসলাম কুড়িগ্রাম জেলার ভুরুঙ্গামারী উপজেলার বেলদহ গ্রামের বাসিন্দা। বর্তমানে তিনি মুন্সীগঞ্জের শ্রীনগর উপজেলার পাটাভোগ এলাকায় ভাড়াটিয়া হিসেবে বসবাস করতেন। অপর আসামি সোহেল ব্যাপারী শ্রীনগর উপজেলার ষোলঘর ইউনিয়নের সমসাবাদ পশ্চিম চকেরপাড়া এলাকার বাসিন্দা।
পুলিশ জানিয়েছে, গ্রেপ্তারকৃতদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা প্রক্রিয়াধীন রয়েছে। পাশাপাশি গরুচোর চক্রের অন্য সদস্যদের শনাক্ত ও গ্রেপ্তারে অভিযান অব্যাহত রয়েছে।
