৩ উইকেট নিয়েও তাসকিনের মুখে হাসি নেই
অনলাইন ডেস্ক
বোলারদের জন্য আবুধাবির উইকেটকে নিষ্প্রাণ বললেও ভুল হবে না। তার ওপর প্রচণ্ড গরম। এমন প্রতিকূল পরিবেশেও ৩ উইকেট শিকার করেছেন তিনি, যার মধ্যে ছিল প্রতিপক্ষের প্রথম তিন ব্যাটারের উইকেটই। তবে দল হারায় নিজের নৈপুণ্যে উচ্ছ্বাস নেই তাসকিন আহমেদের।
ত্রিদেশীয় সিরিজের উদ্বোধনী ম্যাচে শুরুতেই জিম্বাবুয়ের ৩ উইকেট তুলে নিয়েছিলেন তাসকিন। মাত্র ২৪ রানের মধ্যে ৩ ব্যাটারকে তাসকিনের কাছে হারিয়ে জিম্বাবুয়েও ছিল দিশেহারা। এরপর টেলর-আরভিন পার্টনারশিপে ঘুরে দাঁড়ানো আর বাংলাদেশের ব্যাটিং ব্যর্থতায় শেষপর্যন্ত টাইগাররা হজম করেছে ৯৯ রানের পরাজয়।
তাসকিন বলেন, ‘ম্যাচ হারলে তো সবচেয়ে বড় হতাশা। যতই ৩ উইকেট বা ৫ উইকেট পাই, ম্যাচ না জিতলে লাভ হয় না।’
তাসকিনও মানছেন, জিম্বাবুয়ের সেই দেড়শ রানের পার্টনারশিপই পিছিয়ে দিয়েছে বাংলাদেশকে, ‘শুরু ভালো হয়েছিল। এটাও ঠিক, পিচ বেশ ভালো ব্যাটিংয়ের জন্য। ওদের মাঝখানে বড় যে পার্টনারশিপ হলো। শুরুর ব্রেকথ্রুর পর মাঝখানে পার্টনারশিপ হওয়ায় ওরা এগিয়ে যায়। এরপরও একটা ভালো জায়গায় আটকানো সম্ভব হয়েছিল। দুর্ভাগ্যবশত পরে জেতা হলো না।’
এদিকে মেহেদী হাসান মিরাজ জ্বরের কারণে খেলতে না পারায় বাংলাদেশ মূলত ৪ স্পেশালিস্ট বোলার নিয়ে খেলেছে। মোসাদ্দেক-সৌম্য-সাইফরা বাকিটা পুষিয়ে দিতে চাইলেও মিরাজের অভাব স্পষ্ট ছিল জানিয়ে বললেন, ‘এটা একটা কারণ হতে পারে। মিরাজের জ্বর এজন্য ও খেলেনি। ও আমাদের ওয়ানডেতে অন্যতম মূল খেলোয়াড়। তবে বাকি যারা খেলেছে ওরাও ক্যাপেবল।’
এদিকে অধিনায়ক লিটন দাসও চোটে। তাসকিন বলেন, ‘এটার তো কোনো হাত নাই। যে কেউ যেকোনো সময় ইঞ্জুরিতে পড়তে পারে। লিটন আমাদের সেরা ব্যাটার, কোনো সন্দেহ নেই। ইঞ্জুরির কারণে এই টুর্নামেন্টেই হয়ত খেলতে পারবে না। মিরাজ-লিটন দুজনই আমাদের মূল দুই খেলোয়াড়। তারপরও আমাদের আরও ভালো খেলা উচিৎ ছিল।’
