কুর্মিটোলায় ট্রেন থেকে ফেলে দেয়া যুবকের মৃত্যু, মিলেছে পরিচয়
অনলাইন ডেস্ক
রাজধানীর কুর্মিটোলা এলাকায় ছিনতাইয়ের পর চলন্ত ট্রেন থেকে ফেলে দেয়া যুবক চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা গেছেন। মৃত্যুর পর তার পরিচয় শনাক্ত হয়েছে। তার নাম হাফিজুর রহমান (২৫)। তিনি গাজীপুরের একটি রিসোর্টে চাকরি করতেন।
বৃহস্পতিবার (১ অক্টোবর) সকালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে মারা যান তিনি।
ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের পুলিশ ক্যাম্পের ইনচার্জ (পরিদর্শক) মো. হাবিবুর রহমান জানান, বুধবার রাত সাড়ে ৯টার দিকে দুই পথচারী ওই যুবককে আহত অবস্থায় ঢাকা মেডিকেলে ভর্তি করেন। চিকিৎসাধীন অবস্থায় বৃহস্পতিবার সকালে তার মৃত্যু হয়। প্রথমে তার পরিচয় পাওয়া যায়নি। বৃহস্পতিবার দুপুরে তার পরিচয় শনাক্ত হয়।
হাসপাতালে পথচারী ফয়েজ জানান, বুধবার সন্ধ্যার দিকে কুর্মিটোলা হাসপাতালের পেছনে রেললাইনের ধারে মানুষের জটলা দেখে তিনি সেখানে এগিয়ে যান। সেখানে ওই যুবককে রক্তাক্ত অবস্থায় পড়ে থাকতে দেখেন। স্থানীয়দের কাছ থেকে তিনি জানতে পারেন, কমলাপুরগামী একটি চলন্ত ট্রেনে ছিনতাইকারীরা ওই যুবকের ওপর হামলা চালায়। ধস্তাধস্তির একপর্যায়ে তাকে ট্রেন থেকে ধাক্কা দিয়ে ফেলে দেয়া হয়। এরপর তাকে প্রথমে কুর্মিটোলা হাসপাতালে নেয়া হয়। সেখান থেকে রাত সাড়ে ৯টার দিকে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়।
ঢাকা মেডিকেলে নিহত হাফিজুর রহমানের বড় ভাই মো. হোসাইন শেখ জানান, তাদের বাড়ি বাগেরহাটের চিতলমারী উপজেলার চরচিংগুরি গ্রামে। তাদের বাবার নাম মৃত আব্দুর রহমান শেখ। গাজীপুরের জয়দেবপুরে শৈলদা নামের একটি রিসোর্টে চাকরি করতেন হাফিজুর। তার স্ত্রী মুক্তা আক্তার ও এক সন্তান গ্রামের বাড়িতে থাকেন।
তিনি আরও জানান, বুধবার ছুটিতে গাজীপুর থেকে বাগেরহাট যাওয়ার জন্য রওনা দিয়েছিলেন হাফিজুর। সাধারণত জয়দেবপুর থেকে ট্রেনে করে ঢাকার কমলাপুরে আসতেন তিনি। এরপর সায়েদাবাদ থেকে বাসে করে গ্রামের বাড়িতে যেতেন। বৃহস্পতিবার সকালে পুলিশের মাধ্যমে তারা তার মৃত্যুর খবর পান। পরে গ্রাম থেকে ঢাকায় এসে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে হাফিজুরের মরদেহ শনাক্ত করেন।
