কেন ইংল্যান্ডের কোচ হতে চান না পন্টিং?

অনলাইন ডেস্ক

ইংল্যান্ডের সাদা বলের কোচ হওয়ার কথা বিবেচনা করবেন না বলে জানিয়েছেন রিকি পন্টিং। সাবেক অস্ট্রেলিয়ান অধিনায়কের মতে, আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে কোচিং করাতে অনেক সময় দিতে হয়। তার জন্য এই মুহূর্তে যা খুব কঠিন। বরং ফের আইপিএলে কোচিংয়ে ফিরতে চান তিনি।

২০২৩ ওয়ানডে বিশ্বকাপ ও এই বছরের টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে ইংল্যান্ডের হতাশাজনক পারফরম্যান্সের পর চাপের মুখে সম্প্রতি সাদা বলের কোচের দায়িত্ব ছেড়ে দেন ম্যাথু মট। আপাতত অন্তর্বর্তীকালীন দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে মটের সহকারী ও দেশটির সাবেক ওপেনার মার্কাস ট্রেসকোথিককে। নতুন স্থায়ী কোচ হওয়ার লড়াইয়ে অনেকের সঙ্গে শোনা যাচ্ছে পন্টিংয়ের নামও।

এর আগে ইংল্যান্ডের টেস্ট দলের কোচ হওয়ার প্রস্তাব ফিরিয়ে দিয়েছিলেন পন্টিং। পরে সেই দায়িত্ব নেন নিউ জিল্যান্ডের সাবেক ব্যাটসম্যান ব্রেন্ডন ম্যাককালাম। গত মাসে আইপিএলের দল দিল্লি ক্যাপিটালসের প্রধান কোচ হিসেবে শেষ হয় পন্টিংয়ের সাত বছরের অধ্যায়।
আইসিসি রিভিউয়ে পন্টিংকে সঞ্চালক জিজ্ঞেস করেন, ইংল্যান্ডের সাদা বলের কোচ হওয়ার কথা বিবেচনা করবেন কি-না। অস্ট্রেলিয়ার তিনবারের বিশ্বকাপ জয়ী ক্রিকেটার তুলে ধরেন তার ভাবনা। তিনি জানান, “না, আমি কখনোই এটি (ইংল্যান্ডকে কোচিং) করার কথা ভাবব না। প্রকাশ্যেই বলছি, এই মুহূর্তে আমার জীবন যেমন, আন্তর্জাতিক চাকরি আসলেই আমার জন্য নয়। কারণ, আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে কোচিংয়ে আরও অনেক বেশি সময় দিতে হয়।”

পন্টিং আরও বলেন, “আমার অন্যান্য প্রতিশ্রুতিও আছে, টিভিতে কাজ করা এবং যে কাজগুলো করি, সেগুলোর ভারসাম্য রাখার, একই সঙ্গে বাড়িতে যথেষ্ট সময় থাকার চেষ্টা করছি, গত কয়েক বছরে যা খুব বেশি পারিনি। অন্যান্য আন্তর্জাতিক দলকে কোচিং করানো এক ব্যাপার, আর একজন অস্ট্রেলিয়ানের জন্য ইংল্যান্ডের কোচিং করানো সম্ভবত কিছুটা ভিন্ন ব্যাপার, কিন্তু এই মুহূর্তে আমি যথেষ্ট ব্যস্ত।”

যুক্তরাষ্ট্রের মেজর লিগ ক্রিকেটে ওয়াশিংটন ফ্রিডমের শিরোপা জয়ী কোচ হিসেবে সম্প্রতি সফল একটি টুর্নামেন্ট শেষ করেছেন পন্টিং। দলটিতে তার চুক্তির আরও এক বছর বাকি আছে। এছাড়া বিশ্বজুড়ে বিভিন্ন টেলিভিশন ও ধারাভাষ্যে কাজ করেন তিনি। অস্ট্রেলিয়ার দুবারের ওয়ানডে বিশ্বকাপ জয়ী অধিনায়কের আশা, আবার আইপিএল কোচিংয়ে ফিরতে পারবেন তিনি।

পন্টিং জানান, “আমি আবার আইপিএলে কোচ হতে চাই। সেখানে প্রতি বছরই আমি দারুণ সময় কাটিয়েছি, সেটা একজন খেলোয়াড় হিসেবে শুরুর দিনগুলোতে হোক বা মুম্বাইয়ে প্রধান কোচ হিসেবে কয়েক বছরে। তারপর আমি সাতটি মৌসুম দিল্লিতে কাটিয়েছি। দুর্ভাগ্যবশত, আমি যেভাবে চেয়েছিলাম এবং ফ্র্যাঞ্চাইজি যেভাবে চেয়েছিল, সেভাবে সবকিছু হয়নি।”

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Verified by MonsterInsights