ক্যারিবীয় শিবিরে নাসুমের তৃতীয় আঘাত
অনলাইন ডেস্ক
২৯৭ রানের লক্ষ্যে খেলতে নেমে ওয়েস্ট ইন্ডিজের উদ্বোধনী জুটি বেশিক্ষণ টিকতে দিলেন না নাসুম আহমেদ। পঞ্চম ওভারে আলিক আথানেজকে এলবিডব্লিউ করে দিলেন বাঁহাতি স্পিনার। নিশ্চিত আউট বুঝতে পেরে রিভিউ নেননি উইন্ডিজ ওপেনার। ২১ বলে ১৫ রান করেন তিনি।
এদিকে, টিকতে পারলেন না তিন নম্বরে নামা আকিম অগাস্ত। রানের খাতা খোলার আগেই নাসুম আহমেদের বলে এলবিডব্লিউ হয়ে ফিরলেন তিনি। শুরুতে আম্পায়ার অবশ্য আউট দেননি। রিভিউ নিয়ে তার বিদায়ঘণ্টা বাজায় বাংলাদেশ। পরের ওভারে ব্র্যান্ডন কিংকে বোল্ড করেন নাসুম।
প্রথম ৬ ওভারে মাত্র ১১ রান দিয়ে ৩ উইকেট নিলেন নাসুম।
আজ দীর্ঘ ১০ বছর পর মিরপুর শেরে বাংলা স্টেডিয়ামে বাংলাদেশকে শতরানের উদ্বোধনী জুটি এনে দিয়েছিলেন সৌম্য সরকার ও সাইফ হাসান। মাত্র ১৫২ বলে ১৭৬ রান যোগ করেন এই দুজন। তবে ইনিংসের দ্বিতীয়ার্ধে রানের এই ধারা রাখতে পারেনি বাংলাদেশ। পরের ১৪৮ বলে ৭ উইকেট হারিয়ে মাত্র ১২০ রান যোগ করে টাইগাররা। তাতে ৮ উইকেট হারিয়ে ২৯৬ রানে থামেন মেহেদী হাসান মিরাজরা।
টসে জিতে ব্যাটিং করতে নেমে বাংলাদেশের ব্যাটিংয়ের ধরন আগের দুই ওয়ানডের মতো ছিল না। শুরু থেকেই আগ্রাসী ছিলেন দুই ওপেনার সাইফ হাসান ও সৌম্য সরকার। পাওয়ার প্লের ১০ ওভারেই ৭৪ রান তোলেন এই দুজন। সৌম্য ৪৮ বলে ও সাইফ ৪৪ বলে হাফ সেঞ্চুরি পূর্ণ করেন। দুজনেই জাগিয়েছিলেন সেঞ্চুরির সম্ভাবনা। তবে সেটি পূরণ হয়নি।
১৭৬ রানের জুটি গড়ার পর আউট হন সাইফ। তার আগে সমান ৬টি চার ও ছক্কায় ৮০ রানের ইনিংস খেলেন তিনি। দলের সঙ্গে আর ৫ রান যোগ হতে আউট হয়ে যান সৌম্যও। ৮৬ বলে ৭টি চার ও ৪টি ছক্কায় ৯১ রান আসে এই বাঁহাতির ব্যাটে।
সাইফ ও সৌম্য আউট হওয়ার পর বাংলাদেশের রানের গতি কমে আসে। তাওহিদ হৃদয় ও নাজমুল হোসেন শান্তরা রান পেলেও সেটি ছিল অপেক্ষাকৃত ধীরগতিতে। ৪৪ বলে ২৮ রান করে দলীয় ২৩১ রানের মাথায় ফেরেন হৃদয়। ৫৫ বলে ৩ ছক্কায় ৪৪ রান করেন শান্ত। পাঁচ, ছয় ও সাত নম্বরে ব্যাট করতে নেমে ব্যর্থ হন মাহিদুল ইসলাম অঙ্কন, রিশাদ হোসেন ও নাসুম আহমেদ।
অষ্টম উইকেটে নুরুল হাসান সোহান ও মেহেদী হাসান মিরাজের জুটি রানের চাকা কিছুটা এগিয়ে নিয়ে যায়। তবে ইনিংসের শেষ বলে আউট হন মিরাজ। তার আগে সোহানকে নিয়ে ২৪ বলে যোগ করেন ৩৫ রান। সোহান ৮ বলে ১৬ রান করে অপরাজিত থাকেন। ১৭ বলে ১৭ রান করে আউট হন মিরাজ।
