তবু নাগালের বাইরে মাছ-মাংসের দাম

ইমরান চৌধুরী

রাজধানীর বাজারে মাছ ও মাংসের কোনো ঘাটতি নেই। উৎপাদনও আগের যেকোনো সময়ের চেয়ে ভালো। এরপরও বাজার করতে গিয়ে সাধারণ মানুষের পকেট খালি হচ্ছে। ব্রয়লার মুরগি ১৯০-২০০, গরুর মাংস ৮২০-৮৫০ এবং সাধারণ রুই-কাতলা ৩০০-৩৫০ টাকা কেজি দরে কিনতে হচ্ছে ভোক্তাদের। সবার প্রশ্ন, সরবরাহ থাকা সত্ত্বেও দামের সুফল কেন তাদের কাছে পৌঁছাচ্ছে না। সেন্টার ফর পলিসি ডায়ালগের (সিপিডি) সাম্প্রতিক একটি গবেষণায় এর কিছু কারণ উঠে এসেছে। গবেষণায় দেখা যায়, মাছ-মাংসের এই চড়া মূল্যের নেপথ্যে একক কোনো কারণ নেই, বরং পশুখাদ্যের চড়া দাম, পরিবহন ব্যয়, মধ্যস্বত্বভোগী ও সরবরাহ শৃঙ্খলাসহ নানা অস্বচ্ছতা বাজারকে আটকে রেখেছে। শুধু ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা না করে পুরো সরবরাহ ব্যবস্থায় স্বচ্ছতা না আনলে বাজারে স্বস্তি ফেরা কঠিন।

রাজধানীর কারওয়ান বাজার ও মিরপুর-১১ কাঁচাবাজার ঘুরে দেখা গেছে, সোনালি মুরগি ৩২০-৩৪০ টাকা, লেয়ার ৩৭০ টাকা এবং দেশি মুরগি ৬৮০-৭০০ টাকা কেজিতে বিক্রি হচ্ছে। পাঙাশ, তেলাপিয়া ১৮০-২২০ টাকা, চিংড়ি ৬৫০-৭৫০ টাকা, দেশি শিং ৬৫০-৭৫০ টাকা, শোল ৬৫০ টাকা, পাবদা ৩৫০-৪০০ টাকা, টেংরা ৫০০-৭০০ টাকা এবং কাঁচকি প্রায় ৪০০ টাকা কেজি দরে বিক্রি হচ্ছে। বাজার চড়া বলে অনেকেই প্রয়োজনের তুলনায় কম পরিমাণে মাছ বা মাংস কিনছেন।

মিরপুর-১১ কাঁচাবাজারের ব্যবসায়ী রইসুল ইসলাম বলেন, খুচরা পর্যায়ে দাম খুব বেশি বাড়ানো সম্ভব হয় না। কিন্তু পাইকারি বাজার থেকেই বেশি দামে কিনতে হওয়ায় কম দামে বিক্রির সুযোগও নেই।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Verified by MonsterInsights