পাহাড়ে মাল্টার বাম্পার ফলন
ফাতেমা জান্নাত মুমু, রাঙামাটি
পাহাড়ে সবুজ মাল্টার বাম্পার ফলন হয়েছে। এরই মধ্যে হাটবাজারে সয়লাব হয়েছে পাহাড়ে উৎপাদিত সবুজ মাল্টা। দেখতে যেমন আকর্ষণীয়, খেতে তেমনি মজাদার। সাধারণ মাল্টার তুলনায় কয়েক গুণ মিষ্টি এ ফল। চাহিদা বেশি, দামও বেশি। তাই লাভবান হচ্ছেন কৃষক ও ব্যবসায়ীরা।
সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে, রাঙামাটি সদর, নানিয়ারচর, কাউখালী ও বাঘাইছড়ি উপজেলায় ব্যাপক হারে চাষাবাদ হচ্ছে সবুজ মাল্টার। এ মাল্টাকে বারি-১ বলা হয়। কাঁচা অবস্থায় হালকা সবুজ। পাকলে গাঢ় সবুজ। তবে হলুদ রং ধারণ করে না এ মাল্টা। সবুজ পাতার আড়ালে লুকিয়ে থাকা সবুজ মাল্টা চোখে পড়ে না তেমন। দূর থেকে মাল্টার বাগানে দেখলে কখনো বোঝা যাবে না একগাছে কত ফল রয়েছে। মাল্টাচাষি হেমা কুমার চাকমা বলেন, পাহাড়ের মাটি ও আবহাওয়া উপযুক্ত থাকায় এবার মাল্টা চাষে সফল হয়েছেন চাষিরা। তাছাড়া কম খরচ, ব্যাপক ফলন, লাভও অধিক। তাই কৃষকদের অর্থনৈতিক সমৃদ্ধিতে বিরাট ভূমিকা রাখছে পাহাড়ে উৎপাদিত মাল্টা। রাঙামাটি ছাড়িয়ে এসব মাল্টা রপ্তানি হচ্ছে ঢাকা ও চট্টগ্রামে। রাঙামাটি কৃষি বিভাগ সূত্রে জানা গেছে, রাঙামাটিতে জনপ্রিয় হয়ে উঠছে দেশীয় মাল্টার চাষ। তাছাড়া ফলনও হয়েছে ব্যাপক। এরই মধ্যে সফলতা পেয়েছেন রাঙামাটির শুকরছড়ি গ্রামের অনেক মালটাচাষি। তাই মালটা চাষের আগ্রহ বেড়েছে পাহাড়ের কৃষকদের মাঝে। পাহাড়ে উৎপাদিত এসব মাল্টার চাহিদা অনেক। রাঙামাটি জেলায় প্রায় ৬০ থেকে ৭০ হেক্টর জমিতে মাল্টাবাগান গড়ে তুলেছেন কৃষকরা। পাহাড়ি মাটি উর্বর ও সঠিক পরিচর্যার কারণে সহজে বেড়ে উঠছে মাল্টা গাছগুলো। হেক্টর প্রতি ১২ মেট্রিক টন করে উৎপাদিত হচ্ছে মাল্টা, যা চাহিদার তুলনায় অনেক।
