পূজার ছুটিতে রাঙামাটিতে পর্যটকের ঢল
রাঙামাটি প্রতিনিধি
পর্যটক মুখর পাহাড়। শারদীয় দুর্গা পূজার লম্বা ছুটিতে দূর-দূরান্ত থেকে পাহাড়ে আসছেন দেশি-বিদেশি পর্যটক। তাদের এমন সরব উপস্থিতি যেন উৎসবের নগরীতে পরিণত হয়েছে তিন পার্বত্য জেলা রাঙামাটি, খাগড়াছড়ি ও বান্দরবান।
শহর জুড়ে পর্যটকদের উপচেপড়া ভিড়। এতে বইছে উৎসবের আমেজ। পর্যটকদের আগমনে মুখরিত পাহাড়ের পর্যটন কেন্দ্রগুলো।
রাঙামাটির বিভিন্ন পর্যটন কেন্দ্র ঘুরে দেখা গেছে, অনেকেই পরিবার-পরিজন নিয়ে এসেছেন রাঙামাটি। উৎসবের আমেজে মেতে উঠেছে সবুজ অরণ্য ঘেরা পর্যটন নগর। অবকাশ কাটাতে হাজারও আগত পর্যটকদের বাস, মাইক্রোবাস ও প্রাইভেটকারের বহর ছাড়াও ঢাকা, চট্টগ্রামসহ বিভিন্ন জেলা থেকে আসা পিকনিক যাত্রীবাহী বাসগুলো ভিড়ে ঠাসা হয়ে আছে। যেন তিল পর্যন্ত জায়গা খালি নেই।
রাঙামাটি পর্যটন কমপ্লেক্সের নৌযান ঘাটের ম্যানেজার মো. ফকরুল ইসলাম জানান, সারাদিন ব্যস্ত নৌযান ঘাটের ট্যুরিস্ট বোট চালকরা। কারণ পর্যটন কেন্দ্রে এসে কেউ হ্রদ ভ্রমণ না করে থাকতে পারে না। সবাই কাপ্তাই হ্রদের প্রেমে পড়ে যায়। এ ছাড়া চালকদেরও আয় বেড়েছে। এভাবে পর্যটক আসা অব্যাহত থাকলে নৌ শ্রমিকরা আর অভাবে থাকবে না।
রাঙামাটি পর্যটন মোটেল ও হলিডে কমপ্লেক্সের ব্যবস্থাপক আলোক বিকাশ চাকমা জানান, প্রতিদিন গড়ে ৩ থেকে ৪ হাজার পর্যটকের আগমন ঘটছে পর্যটন কমপ্লেক্সে। এতে পর্যটন খাতে রাজস্ব আয়ও বেড়ছে। বর্তমানে গড় আয় দৈনিক ৩ থেকে ৪ লাখ টাকা। এখন পর্যন্ত পর্যটন মোটেলের কটেজ পুরোপুরি বুকিং রয়েছে।
একই অবস্থা আবাসিক হোটেল গুলো-বলছেন রাঙামাটি হোটেল মালিক সমিতির সভাপতি মো. মোস্তফা কামাল উদ্দীন। তিনি বলেন, রাঙামাটির ৫৫টি হোটেল প্রায় ৬৫ ভাগ বুকিং রয়েছে। এখনো বুকিং চলমান। আশা কারি দ্রুত শতভাগ বুকিং হয়ে যাবে।
