বেনাপোল দিয়ে ৯ দিনে ১৫শ টন কাঁচা মরিচ আমদানি
বেনাপোল প্রতিনিধিঃ
গত ৯ দিনে ভারত থেকে বেনাপোল বন্দরে প্রবেশ করেছে প্রায় ১৫শ টন ভারতীয় কাঁচা মরিচ। ১২২টি ভারতীয় ট্রাকে মরিচ আমদানি করা হয়। আমদানি বাড়লেও কমেনি কাঁচা মরিচের দাম। এ ঘটনায় ক্ষুব্ধ প্রতিক্রিয়া ব্যক্ত করেছেন ক্রেতারা। দূর্গাপূজার কারণে টানা পাঁচ দিন বেনাপোল বন্দর বন্ধ এবং দেশের বিভিন্ন এলাকায় অতিবৃষ্টির কারণে কাঁচামরিচ গুদামজাত করে দামবৃদ্ধি করেন আড়তদাররা।
বেনাপোল ও শার্শার একাধিক বাজারে খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, দূর্গাপূজার আগে এই সব বাজারে ভারত থেকে আমদানি করা কাঁচা মরিচ খুচরা বাজারে বিক্রি হয়েছিল ৮০-১০০ টাকা কেজি। পূজার ছুটির মধ্যে তা বিক্রি হয়েছে ৪০০ টাকা কেজি দরে। এখনও ২৫০ টাকা থেকে ২৮০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে কাচাঁ মরিচ।
বেনাপোল বন্দর দিয়ে কাচাঁ মরিচ আমদানি কয়েকগুণ বৃদ্ধি পেয়েছে।চলতি মাসের ১৪ অক্টোবর থেকে ২৩ অক্টোবর পর্যন্ত ৯ দিনে ১২২ ট্রাকে করে ১ হাজার ৪২১ টন কাঁচা মরিচ আমদানি হয়েছে। কেনা থেকে শুরু করে শুল্ককর মিলিয়ে আমদানি করা এই মরিচের কেজিপ্রতি খরচ পড়েছে ৯৬-১০০ টাকা।
বেনাপোল চেকপোস্ট বাজারে কাঁচা মরিচ কিনতে আসা ফজলুর রহমান বলেন, চলতি মাসের শুরুতে মরিচ কিনেছিলাম ৯০ টাকা কেজি। আজ বাজারে বিক্রি হচ্ছে ২৫০ থেকে টাকা কেজি।
বেনাপোল বাজারের খুচরা ব্যবসায়ী রাশেদ আলী বলেন, বেশি দামে মরিচ কিনতে হচ্ছে, তাই বেশি দামে বিক্রি করছি। সব সবজি এবং পেঁয়াজের দামও আকাশ ছোঁয়া। তবে পূজার কারনে পোর্ট বন্ধ থাকায় বাজারে বড় বড় ব্যবসায়ীরা বস্তা বস্তা কাঁচা মরিচ আর পিয়াজ মজুত করেছিল, দাম বেশি পাওয়ার আশায়। আমদানি স্বাভাবিক হলে আবার দাম কমে যাবে।
জাতীয় ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণের শার্শা উপজেলার সহকারী কমিশনার (ভূমি) ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট নুসরাত ইয়াসিন জানিয়েছেন, তারা নিয়মিত কার্যক্রমের পাশাপাশি অভিযোগের ভিত্তিতে অভিযান পরিচালনা করছেন। ক্রয়-বিক্রয় রশিদ, মূল্য তালিকা, বাড়তি দামে পণ্য বিক্রি করা হচ্ছে কিনা সবকিছু খতিয়ে দেখা হচ্ছে এবং আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে। মরিচের দামে কোন কারসাজি হচ্ছে কিনা তাও যাচাই-বাছাই করা হবে।
