যশোরে চালুর পথে করোনারি কেয়ার ইউনিট: ২৪ পদ সৃজনে সম্মতি অর্থ বিভাগের
যশোর প্রতিনিধি
যশোর ২৫০ শয্যাবিশিষ্ট্য জেনারেল হাসপাতালের ২৮ শয্যার করোনারি কেয়ার ইউনিটের (সিসিইউ) জন্য রাজস্ব খাতে ২৪টি পদ সৃজনে সম্মতি দিয়েছে অর্থ বিভাগ। এর মধ্যে ১৫টি ক্যাডার পদ স্থায়ী এবং ৯টি অন্যান্য পদ বছর বছর সংরক্ষণের ভিত্তিতে অস্থায়ীভাবে সৃজন করা হবে।
বৃহস্পতিবার অর্থ বিভাগের ব্যয় ব্যবস্থাপনা অনুবিভাগ-২-এর ব্যয় ব্যবস্থাপনা শাখা-৬ থেকে এ-সংক্রান্ত স্মারক জারি হয়। জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের ১৮ আগস্ট ও স্বাস্থ্য সেবা বিভাগের ২৪ সেপ্টেম্বরের স্মারকের পরিপ্রেক্ষিতে এ সম্মতি দেওয়া হয়। স্মারকে স্বাক্ষর করেন উপসচিব শুক্লা সরকার।
ক্যাডার পদের মধ্যে আছে সিনিয়র কনসালট্যান্ট (কার্ডিওলজি ও অ্যানেসথেসিয়া) একটি করে, জুনিয়র কনসালট্যান্ট (কার্ডিওলজি) দুটি, জুনিয়র কনসালট্যান্ট (অ্যানেসথেসিয়া) একটি, সহকারী রেজিস্ট্রার একটি, অ্যানেসথেটিস্ট একটি ও মেডিকেল অফিসার আটটি। অন্যান্য পদের মধ্যে নার্সিং সুপারভাইজার, ফার্মাসিস্ট, কম্পিউটার অপারেটর, স্টোর কিপার, ফার্মেসি সহকারী ও অফিস সহকারী কাম কম্পিউটার মুদ্রাক্ষরিক একটি করে। মেডিকেল টেকনোলজিস্ট (ল্যাব) দুটি এবং মেডিকেল টেকনোলজিস্ট (রেডিওগ্রাফি) একটি।
বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজসম্পদ প্রতিমন্ত্রী এবং যশোর-৩ (সদর) আসনের সংসদ সদস্য অনিন্দ্য ইসলাম অমিত। ইউনিটটি পূর্ণাঙ্গভাবে চালু করা তাঁর নির্বাচনী অঙ্গীকার ছিল।
২০০১ সালে যশোর করোনারি কেয়ার ইউনিটের তিনতলা ভবন নির্মাণ ও চিকিৎসা সরঞ্জাম কেনা হয়। কিন্তু রাজনৈতিক পট পরিবর্তনের পর এই ইউনিটের জন্য আর জনবল নিয়োগ না হওয়ায় সরঞ্জাম প্যাকেটবন্দী অবস্থায় নষ্ট হয়ে যায়।
যশোর মেডিকেল কলেজের ফরেনসিক বিভাগের প্রধান ডা. ফারুক এহতেশাম পরাগ বলেন, ‘করোনারি কেয়ার ইউনিট এখন চালু হওয়ার পথে। এতদিন সিসিইউ বাইরে থেকে দেখা যেত, ভেতরে সেবা পেত না মানুষ। দ্রুতই সেই সেবা দেওয়া সম্ভব হবে।’
