শিক্ষাখাতে দেশের ইতিহাসে সর্বোচ্চ বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে: প্রধানমন্ত্রী

বাসস

প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বলেছেন, দেশের ইতিহাসে প্রথমবারের মতো এবার শিক্ষাখাতে সর্বোচ্চ বাজেট বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে। আগামী পাঁচ বছরের মধ্যে পর্যায়ক্রমে শিক্ষাখাতে জিডিপির বরাদ্দ বাড়িয়ে ৫ শতাংশে উন্নীত করার পরিকল্পনা রয়েছে সরকারের।

বৃহস্পতিবার (২৪ সেপ্টেম্বর) নিউইয়র্কের স্থানীয় সময় অনুযায়ী জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের ৮১তম অধিবেশনের সাধারণ বিতর্কে বাংলাদেশের পক্ষে বাংলায় দেওয়া ভাষণে তিনি এসব কথা বলেন।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, চলতি বছরের ১২ ফেব্রুয়ারির জাতীয় নির্বাচনের আগে জনগণের কাছে দেওয়া ৩১ দফা কর্মসূচি বাস্তবায়ন করছে সরকার।

তিনি বলেন, ‘বাংলাদেশ সরকার শিক্ষা, স্বাস্থ্য এবং স্পোর্টসকে বিশেষ গুরুত্ব দিয়েছে। নৈতিক মানসম্পন্ন কর্মমুখী শিক্ষাব্যবস্থা নিশ্চিত করতে কারিগরি এবং ব্যাবহারিক শিক্ষার ওপর জোর দিয়ে শিক্ষা কারিকুলাম প্রণয়ন করা হয়েছে।’

তারেক রহমান আরও বলেন, ‘প্রথম শ্রেণি থেকে প্রাইমারি স্কুলের শিক্ষার্থীদের জন্য ব্যাগ এবং পোশাক অর্থাৎ স্কুল ইউনিফর্ম এবং বিনামূল্যে দুপুরের খাবার দেওয়া হচ্ছে। সরকার আশা করে, এর ফলে স্কুলে শিক্ষার্থীর হার এবং স্কুলে শিক্ষার মান বাড়বে।’

খেলাধুলাকে পেশা হিসেবে প্রতিষ্ঠিত করতে প্রথমবারের মতো শিক্ষা সিলেবাসে ‘স্পোর্টস’ বিষয় অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে বলেও জানান প্রধানমন্ত্রী। এর অংশ হিসেবে গত জুনে সারাদেশে মাসব্যাপী আয়োজিত স্কুল শিক্ষার্থীদের ফুটবল টুর্নামেন্টে ২০ লাখের বেশি শিক্ষার্থী অংশ নেয় বলে উল্লেখ করেন তিনি।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, জাতিসংঘ ঘোষিত টেকসই উন্নয়ন লক্ষ্যমাত্রার ‘লিভ নো ওয়ান বিহাইন্ড’ প্রতিপাদ্যের সঙ্গে সরকারের ৩১ দফা কর্মসূচির ৭৩ শতাংশ কার্যক্রমের সরাসরি এবং ২৭ শতাংশের পরোক্ষভাবে মিল রয়েছে।

তিনি আশা প্রকাশ করেন, এসব কর্মসূচি বাস্তবায়নের মাধ্যমে শহর ও গ্রামের উন্নয়ন বৈষম্য কমবে। একইসঙ্গে ২০৩০ এজেন্ডার সব ক্ষেত্রে জবাবদিহিতা, অন্তর্ভুক্তিমূলক ও টেকসই উন্নয়ন এগিয়ে নেওয়া সম্ভব হবে।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Verified by MonsterInsights