সিএনজি ফিলিং স্টেশন মালিকদের ধর্মঘট প্রত্যাহার
অনলাইন ডেস্ক
পূর্বঘোষিত ধর্মঘট কর্মসূচি প্রত্যাহার করে নিয়েছে বাংলাদেশ সিএনজি ফিলিং স্টেশন অ্যান্ড কনভার্শন ওয়ার্কশপ ওনার্স অ্যাসোসিয়েশন। সংগঠনটি ২৮ সেপ্টেম্বর থেকে লাগাতার বন্ধের ডাক দিয়েছিল।
শনিবার এক বিবৃতিতে ধর্মঘট প্রত্যাহারের কথা জানিয়েছেন ধর্মঘট বাস্তবায়নে গঠিত স্টিয়ারিং কমিটির আহ্বায়ক আমিরুজ্জামান চৌধুরী।
বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, গত ২৪ সেপ্টেম্বর বিদ্যুৎ জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ মন্ত্রী ইকবাল হাসান মাহমুদ টুকুর সঙ্গে বৈঠক হয়। ওই বৈঠকে বিদ্যমান সমস্যাগুলো সমাধানের আশ্বাস দেওয়া হয়েছে। এর আগে ২২ সেপ্টেম্বর প্রতিমন্ত্রী অনিন্দ্য ইসলাম অমিতের সঙ্গে বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়। এসব বৈঠকে সমাধানের আশ্বাস দেওয়ায় পরবর্তী সিদ্ধান্ত না দেওয়া পর্যন্ত লাগাতার বন্ধ কর্মসূচি স্থগিত ঘোষণা করা হয়েছে।
বিবৃতিতে বলা হয়েছে, ২৩ জুলাই প্রতীকী ধর্মঘট, ২৩ আগস্ট থেকে লাগাতার বন্ধ কর্মসূচি দেওয়া হলেও সরকারকে সহযোগিতার হাত প্রসারিত করে প্রত্যাহার করা হয়েছে। আমরা আশা করতে চাই সরকার যৌক্তিক দাবি ও সমস্যাসমুহ দ্রুততম সময়ের মধ্যে সমাধানের পদক্ষেপ গ্রহণ করবে।
বাংলাদেশ সিএনজি ফিলিং স্টেশন অ্যান্ড কনভার্শন ওয়ার্কশপ ওনার্স অ্যাসোসিয়েশন প্রতি ঘনমিটারে কমিশন ৮ টাকা থেকে বাড়িয়ে ১৩ টাকা ৯৬ পয়সা করার দাবি জানিয়ে আসছে। সংগঠনটি দাবি করেছে, প্রায় এক যুগ ধরে (২০১৩ সাল) দাবি-দাওয়া নিয়ে আলোচনা চালিয়ে যাচ্ছি। সরকারের পক্ষ থেকে বারংবার আশ্বাস দিলেও বাস্তবায়ন করা হয়নি। বিদ্যুতের দাম বাড়লেই আমাদের খরচ বেড়ে যায়, ৭ দফায় বিদ্যুতের দাম বাড়লে আমাদের কমিশন বাড়ানো হয়নি। এতে করে লোকসানে দিতে হচ্ছে আমাদের।
২০১৩ সালে ধর্মঘটে গেলে তৎকালীন সরকার কমিটি গঠন করে দেয়। সেই কমিটির রিপোর্টেও কমিশন ১.৯৮ টাকা বাড়ানোর সুপারিশ দেওয়া হয়। এরপর মাত্র ১ টাকা বাড়ানো হয়। এরপর বিদ্যুতের দাম বৃদ্ধি, টাকার অবমূল্যায়নসহ নানা কারণে এখন ৩.৫০ টাকা হয়ে দাঁড়িয়েছে। বিদ্যুতের সমন্বয় বাবদ ২.৪৬ টাকা এবং অন্যান্য খরচ বাবদ ৩.৫০ টাকাসহ মোট ৫.৯৬ টাকা বাড়ানো জরুরি। না হলে আমাদের পক্ষে ব্যবসা চালিয়ে নেওয়া সম্ভব না।
