অস্ট্রেলিয়ার বাধা পেরিয়ে ইতিহাস গড়তে চায় মিশর
অনলাইন ডেস্ক
২০২৬ বিশ্বকাপের নকআউট পর্বের গুরুত্বপূর্ণ লড়াইয়ে শুক্রবার টেক্সাসের আর্লিংটনের এটিঅ্যান্ডটি স্টেডিয়ামে মুখোমুখি হবে অস্ট্রেলিয়া ও মিশর। জয়ী দল নিশ্চিত করবে শেষ ষোলোতে জায়গা, যেখানে অপেক্ষায় থাকবে আর্জেন্টিনা অথবা কেপ ভার্দে।
গ্রুপ ডিতে রানার্সআপ হয়ে নকআউটে উঠেছে অস্ট্রেলিয়া। তারা টুর্নামেন্ট শুরু করেছিল তুরস্ককে ২-০ গোলে হারিয়ে। এরপর সহ-আয়োজক যুক্তরাষ্ট্রের কাছে একই ব্যবধানে হারের পর শেষ ম্যাচে প্যারাগুয়ের বিপক্ষে গোলশূন্য ড্র করে ৪ পয়েন্ট নিয়ে দ্বিতীয় স্থান নিশ্চিত করে।
বিশ্বকাপের নকআউট পর্বে খেলার অভিজ্ঞতা অস্ট্রেলিয়ার নতুন নয়। ২০০৬ ও ২০২২ সালে শেষ ষোলোতে উঠেছিল তারা। সর্বশেষ আসরে শেষ পর্যন্ত চ্যাম্পিয়ন হওয়া আর্জেন্টিনার কাছে বিদায় নিতে হয়েছিল তাদের।
দুই দলের একমাত্র আগের দেখায় ২০১০ সালের প্রীতি ম্যাচে অস্ট্রেলিয়াকে ৩-০ গোলে হারিয়েছিল মিশর।
অন্যদিকে গ্রুপে শীর্ষে উঠতে না পারলেও ৫ পয়েন্ট নিয়ে বেলজিয়ামের পেছনে থেকে রানার্সআপ হয়েছে মিশর। প্রথম ম্যাচে বেলজিয়ামের সঙ্গে ১-১ গোলে ড্র করার পর নিউজিল্যান্ডকে ৩-১ ব্যবধানে হারায় তারা। শেষ ম্যাচে ইরানের বিপক্ষেও ১-১ গোলে ড্র করে, তবে গোল ব্যবধানে পিছিয়ে থাকায় গ্রুপসেরা হতে পারেনি।
১৯৩৪ সালের পর এই প্রথমবার বিশ্বকাপের নকআউট পর্বে ওঠার সুযোগ পেয়েছে মিশর। ২০১৮ বিশ্বকাপে তিনটি ম্যাচই হেরেছিল তারা। তাই এবার শেষ ষোলোয় উঠতে পারলে সেটি হবে তাদের জন্য বড় অর্জন।
অস্ট্রেলিয়ার দলে চোটের কারণে থাকছেন না জ্যাকব ইতালিয়ানো ও ম্যাথিউ লেকি। তবে বাকি খেলোয়াড়রা ফিট আছেন। কোচ টনি পোপোভিচ প্যারাগুয়ের বিপক্ষে খেলা একই একাদশ ধরে রাখতে পারেন। তরুণ ফরোয়ার্ড নেস্টোরি ইরানকুন্ডা, যিনি জাতীয় দলের হয়ে ১৮ ম্যাচে ৬ গোল করেছেন এবং এই বিশ্বকাপেও একবার জালের দেখা পেয়েছেন, আবারও আক্রমণভাগের নেতৃত্ব দেবেন।
মিশরের শিবিরে সবচেয়ে বড় দুশ্চিন্তা মোহাম্মদ সালাহকে ঘিরে। হ্যামস্ট্রিং চোট কাটিয়ে তার মাঠে নামার সম্ভাবনা রয়েছে। এছাড়া হামদি ফাতি, হোসাম আবদেলমাগুইদ, মোহাম্মদ আবদেলমোনেম ও আহমেদ এল ফতোহও চোটের কারণে অনিশ্চিত। তবে হলুদ কার্ডের কারণে মোহানাদ লাশিন।
অস্ট্রেলিয়া:
বিচ; সারকাতি, সাউতার, হেরিংটন; বস, ও’নিল, আরভিন, বেহিচ; ভলপাতো, ইরানকুন্ডা, মেটকালফ।
মিশর:
শোবেইর; হানি, ইব্রাহিম, রাবিয়া, হাফেজ; আতেয়া, সাবের; জিকো, সালাহ, আশুর; ওমর মারমুশ।
