ইয়েমেনে সেনা পাঠাচ্ছে না সিরিয়া, জানাল দামেস্ক
অনলাইন ডেস্ক
সৌদি আরবের সঙ্গে সিরিয়ার সামরিক চুক্তির মূল লক্ষ্য সেনাদের প্রশিক্ষণ ও সামরিক সক্ষমতা বৃদ্ধি। তবে ইয়েমেনে সেনা পাঠানোর কোনো পরিকল্পনা নেই বলে জানিয়েছে দামেস্ক। শনিবার সিরিয়ার রাষ্ট্রীয় বার্তা সংস্থা সানা-কে (এসএএনএ) দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে দেশটির এক কূটনৈতিক সূত্র এ তথ্য জানিয়েছে।
নাম প্রকাশ না করার শর্তে ওই কূটনৈতিক সূত্র জানায়, বর্তমানে ইয়েমেনে সিরিয়ার সামরিক বাহিনী পাঠানোর বিষয়ে গণমাধ্যমে প্রকাশিত খবরের কোনো ভিত্তি নেই। সিরিয়ার অগ্রাধিকার এখন দেশের অভ্যন্তরীণ নিরাপত্তা জোরদার, পুনর্গঠন এবং অর্থনীতি পুনরুজ্জীবিত করা।
সূত্রটি জানায়, আগামী ডিসেম্বর থেকে সৌদি আরবের সমন্বয়কারী প্রতিনিধিদলের সিরিয়া সফর শুরু হওয়ার কথা রয়েছে। তবে সফরের নির্দিষ্ট তারিখ বা অংশগ্রহণকারীদের বিষয়ে কিছু জানানো হয়নি। রিয়াদের সঙ্গে বর্তমান সামরিক চুক্তির আওতায় প্রশিক্ষণ, অভিজ্ঞতা বিনিময় এবং সামরিক পরামর্শ দেওয়ার বিষয়গুলো রয়েছে।
তবে প্রশিক্ষণ চুক্তির বিষয়ে বিস্তারিত কিছু জানায়নি সূত্রটি।
গত ৪ নভেম্বর সিরিয়ার পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় জানায়, দেশটির প্রেসিডেন্ট আহমদ আল-শারার রিয়াদ সফরের সময় দুই দেশের প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয় একটি সামরিক সহযোগিতা চুক্তি সই করেছে। ওই সফরে সৌদি যুবরাজ মোহাম্মদ বিন সালমানের সঙ্গে বৈঠক করেন সিরিয়ার প্রেসিডেন্ট।
সিরীয় সূত্রটি সানাকে আরও জানায়, সৌদি আরবের সঙ্গে এই সহযোগিতা ভবিষ্যতে পারস্পরিক প্রতিরক্ষা চুক্তি কিংবা মক্কা প্রতিরক্ষা জোটে সিরিয়ার যোগদানের পথ তৈরি করতে পারে। তবে তা নির্ভর করবে উভয় পক্ষের অভিন্ন স্বার্থের ওপর।
তুরস্ক, সৌদি আরব ও পাকিস্তানকে নিয়ে গঠিত হয়েছে মক্কা প্রতিরক্ষা জোট।
গত ৫ অক্টোবর রিয়াদে দেশ তিনটির মধ্যে একটি জরুরি বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়। সৌদি আরবের নিরাপত্তার জন্য বিদ্যমান হুমকি নিয়ে আলোচনার পাশাপাশি যৌথ বিবৃতিতে জোটটির প্রথম মহাসচিব নিয়োগের ঘোষণা দেওয়া হয়।
এর আগে বিভিন্ন গণমাধ্যমের প্রতিবেদনে বলা হয়েছিল, সৌদি আরবে সামরিক পরামর্শ ও প্রশিক্ষণ দিতে সিরিয়া সেনাসদস্য পাঠিয়েছে। সৌদি ও ইয়েমেনি সেনাদেরও দেশটির ভেতরে প্রশিক্ষণ দেওয়ার কথা বলা হয়েছিল এসব প্রতিবেদনে।
সূত্র: আনাদোলু এজেন্সি
