এবার আরবেল ইয়েহুদের মুক্তি চায় ইসরায়েল

অনলাইন ডেস্ক

ফিলিস্তিনের গাজায় যুদ্ধবিরতি চুক্তির প্রথম ধাপে হামাসের হাতে বন্দি ৩৩ জিম্মিকে মুক্তি দেওয়া হবে। এর মধ্যে প্রথম দিন মুক্তি পেয়েছেন তিন নারী। দ্বিতীয় পর্যায়ে অর্থাৎ সপ্তম দিনে হামাস আরও চারজনকে মুক্তি দেবে। সেই সময় আরবেল ইয়েহুদ নামে এক তরুণীর মুক্তি চেয়েছে ইসরায়েল।

সংবাদমাধ্যমের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ইসরায়েল হামাসকে জানিয়েছে- যুদ্ধবিরতি চুক্তির অধীনে আগামী শনিবার গাজা উপত্যকা থেকে যে চার জিম্মিকে মুক্তি দেওয়া হবে, তাদের মধ্যে যেন আরবেল ইয়েহুদ থাকে।

ইয়েহুদ গাজার সশস্ত্র গোষ্ঠীদের হাতে আটক বেসামরিক জিম্মিদের মধ্যে একজন। একজন বেসামরিক নারী হিসেবে মুক্তিপ্রাপ্ত পরবর্তী দলে তার থাকা উচিত বলে মনে করে ইসরায়েল।

তবে তিনি হামাস নয় বরং ফিলিস্তিনি ইসলামিক জিহাদ গোষ্ঠীর হাতে আটক রয়েছে বলে মনে করা হচ্ছে। এটি জেরুজালেমের উদ্বেগের কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে যে, হামাস তার মুক্তি পিছিয়ে দেওয়ার চেষ্টা করতে পারে।

যুদ্ধবিরতি চুক্তির আওতায়, হামাস পরবর্তী চারজনের নির্ধারিত মুক্তির একদিন আগে শুক্রবারের মধ্যে তাদের নামের তালিকা পাঠাবে বলে আশা করা হচ্ছে।

২৯ বছর বয়সী ইয়েহুদ তার প্রেমিক এরিয়েল কুনিওর সাথে ২০২৩ সালের ৭ অক্টোবর তাদের নিজ বাড়ি কিবুতজ নির ওজ থেকে জিম্মি হয়েছিলেন। তার ভাই ডলেভ ইহুদ নিজেদের বাড়ি রক্ষা করার সময় নিহত হন এবং পরবর্তীতে ৩ জুন তার দেহাবশেষ শনাক্ত করা হয়।

যুদ্ধবিরতি চুক্তি অনুযায়ী, প্রথম ধাপে ৩৩ জিম্মিকে মুক্তি দেবে হামাস। এর মধ্যে প্রথম দিন মুক্তি পেয়েছেন তিন নারী। বাকি ৭ নারী জিম্মির মধ্যে ইয়েহুদ একজন। অন্যরা হলেন- শিরি সিলবারম্যান বিবাস, ৩৩; লিরি আলবাগ, ১৯; করিনা আরিভ, ২০; আগাম বার্গার, ২১; ড্যানিয়েল গিলবোয়া, ২০ এবং নামা লেভি, ২০।

দীর্ঘ ১৫ মাস পর গাজায় যুদ্ধবিরতি চুক্তিতে সম্মত হয়েছে ইসরায়েল ও হামাস। গত ১৯ জানুয়ারি থেকে এই যুদ্ধবিরতি কার্যকর হয়। সূত্র: টাইমস অব ইসরায়েল

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Verified by MonsterInsights