কালিয়াকৈরে যুবককে তুলে নিয়ে আটকে রেখে নির্যাতন, ২ লাখ টাকা চাঁদা দাবির অভিযোগ
কালিয়াকৈর (গাজীপুর) স্টাফ রিপোর্টার
গাজীপুরের কালিয়াকৈরে রাতুল ইসলাম (১৯) নামের এক যুবককে রাস্তা থেকে জোরপূর্বক তুলে নিয়ে মাছের খামারে আটকে রেখে নির্যাতনের পাশাপাশি ২ লাখ টাকা চাঁদা দাবির অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনায় মঙ্গলবার সকালে আহত রাতুলের মা রুবিনা আক্তার কালিয়াকৈর থানায় একটি লিখিত অভিযোগ দায়ের করেছেন।
রাতুল ইসলাম উপজেলার কার্লসুরিচালা এলাকার নুরুল ইসলামের ছেলে।
অভিযোগ সূত্রে জানা গেছে, পহেলা বৈশাখে রাতুল তার মোটরসাইকেল নিয়ে কালিয়াকৈর উপজেলার বাঁশতলী এলাকায় ঘুরতে যান। রাত আনুমানিক ৯টার দিকে বাঁশতলী বিপুলের দোকানের সামনে রাস্তা থেকে তাহাছিন সিকদার, তাজবির সিকদার, সিয়াম হোসেন, মনির হোসেন, আছলাম, উদয়সহ অজ্ঞাত আরও ৫-৬ জন মিলে তার মোটরসাইকেলের গতিরোধ করে। এরপর তাকে জোরপূর্বক তুলে নিয়ে উপজেলার সাহেবাবাদ এলাকার একটি মাছের খামারে আটকে রেখে বেধড়ক মারধর করে এবং তার কাছে ২ লাখ টাকা চাঁদা দাবি করে। এ সময় তার পকেটে থাকা ৮ হাজার টাকা ছিনিয়ে নেয় বলে অভিযোগে বলা হয়েছে।
রাত সাড়ে ১১টা পর্যন্ত রাতুলকে খামারে আটকে রেখে শারীরিক নির্যাতন চালানো হয়। টাকা দিতে না পারায় তাকে আরও মারধর করে অচেতন অবস্থায় খামারের বাইরে ফেলে রেখে পালিয়ে যায় অভিযুক্তরা। পরে স্থানীয়রা তাকে উদ্ধার করে কালিয়াকৈর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করেন।
ঘটনার পরদিন মঙ্গলবার সকালে রাতুলের মা রুবিনা আক্তার বাদী হয়ে তাহাছিন সিকদার, তাজবির সিকদার, সিয়াম হোসেন, মনির হোসেন, আছলাম ও উদয়ের নাম উল্লেখ করে কালিয়াকৈর থানায় একটি লিখিত অভিযোগ দায়ের করেন।
এ বিষয়ে অভিযুক্ত তাহাছিন সিকদার বলেন, “একটি মহল উদ্দেশ্যমূলকভাবে আমাকে ফাঁসানোর জন্য মিথ্যা অভিযোগ তুলেছে।”
কালিয়াকৈর থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) রিয়াদ মাহমুদ বলেন, অভিযোগটি তদন্ত করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।
