কালীগঞ্জে আবারো দুর্বৃত্তরা কেটে দিলো ড্রাগন ফলের গাছ, বিচার ও ক্ষতিপূরন পাবে কি চাষী?
” হুসাইন কবীর সুজন ”
ঝিনাইদহ কালীগঞ্জে দুর্বৃত্তদের
শিকার হলেন ড্রাগন চাষি আলমগীর হোসেন। তার ড্রাগন বাগানের প্রায় ১৬ টি ফুল ফলে ভরা ধরন্ত গাছ কেটে মাটিতে ফেলে রেখে গেছে দুর্বৃত্তরা।কালীগঞ্জ ঢাকালে পড়ার মৃত: আমজাদ হোসেনের বড় পুত্র বিশিষ্ট ব্যাবসায়ী মো: আলমগীর হোসেন ৪ নং নিয়ামতপুর ইউনিয়নের মহিষাডারা গ্রামের মাঠে প্রায় ৫ বিঘা জমিতে ড্রাগন চাষ শুরু করে। ইতিমধ্যে গাছে ফুলফল আসতে শুরু করেছে এরমধ্যে গত শনিবার রাত্রির কোন এক সময়দূর্বৃত্তরা এই ক্ষতি করে।
ওই বাগানের কেয়ারটেকার মন্টু বিশ্বাস প্রতিদিনের ন্যায় সকালে বাগানে গিয়ে দেখতে পান বাগানের মাঝখান থেকে ১৬ টি গাছ কাটা অবস্থায় পড়ে আছে, তাৎক্ষণিক বাগান মালিক মোঃ আলমগীর হোসেন কে ফোন দেন। ফোনে দুঃসংবাদ শোনার সাথেই দ্রুত বাগানে ছুটেযেয়ে দেখতে পান ধরনতো ড্রাগন গাছ কাটা অবস্থায় পড়ে আছে,এমোতা অবস্থায় ঝিনাইদহ জেলা ড্রাগন চাষী কল্যাণ সমিতির সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদকের কাছে ফোন দিয়ে ক্ষতিগ্রস্ত ড্রাগন বাগানে আসতে বলেন,এবং তারা ঝিনাইদহ থেকে যতদ্রুত সম্ভব ক্ষতি গ্রস্ত ড্রাগনের জমিতে তারা আসে এবং পরিদর্শন করেন।ড্রাগন চাষি আলমগীর হোসেনের কাছে বিষয়টি যানতে চাইলে তিনি বলেন, ১২/মে/২০২৩/শুক্রবার সন্ধ্যা রাত্র আনুমানিক ০৭টা হইতে ১৩/মে/২০২৩/শনিবার ভোর ০৫ টার মধ্যে কে বা কাহারা মহিষাডেরার মাঠে আমার প্রায় ৫ বিঘা জমির ড্রাগন বাগানের মধ্যে একলাইনে থাকা ১৬ টি ধরন্ত গাছ কেটে দেয় আনুমানিক ৬০ থেকে ৬৫০০০ হাজার টাকার অধিক ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছি আমিএর। বিষয়টি নিয়ে আমি আস-পাশের লোকজনের কাছে জিজ্ঞাসা করিলে কেহ কোন প্রকার তথ্য দিতে পারে নাই আমাদের ওই ড্রাগন বাগানে এখনো অনেক গাছ আছে যাহা নিয়ে আমি ভবিষ্যতে ঝুঁকির আশংখা থাকাই, বিষয়টি নিয়ে পারিবারিক ভাবে ও স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গের সাথে নিয়ে এবং ড্রাগন চাষী কল্যাণ সমিতির নেতৃবৃন্দদের সাথে নিয়ে থানায় এসে লিখিত অভিযোগ দায়ের করি।
এসময় কালীগঞ্জ থানার অফিসার-ইন-চার্জ (ওসি) আব্দুর রহিম মোল্ল্যা জানান, দুর্বৃত্তরা যত শক্তিশালী হোক না কেন, আগামীতে এধরনের নেক্কারজনক ও দুঃখজনক ঘটনা যেন আর না ঘটে সেই ব্যবস্থায় আমি নিব ইনশাআল্লাহ।
এর আগেও চাঁচড়া মাঠপাড়া সহ বিভিন্ন মাঠে দূর্বৃত্তরা এহেন ঘটনা ঘটেছে তার কোন আইনি পদক্ষেপ না নেওয়ার করনে এমন ঘটনা ঘটেছে। তাই চাষিরা দ্রুত আইনের হস্তক্ষেপ কামনা করছে।
