খাগড়াছড়িতে থেমে থেমে ভারী বৃষ্টিপাত, এখনো যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন তিন প্রধান সড়ক

খাগড়াছড়ি প্রতিনিধি

খাগড়াছড়িতে বৃষ্টি ও উজানের ঢলে জেলার তিনটি গুরুত্বপূর্ণ সড়কে যোগাযোগ এখনও বিচ্ছিন্ন রয়েছে। জেলা প্রশাসন জানায়, খাগড়াছড়ির সঙ্গে রাঙামাটি ও মহালছড়ির যোগাযোগ ও দীঘিনালার সঙ্গে সাজেক লংগদু উপজেলার যোগাযোগ এখনও বিচ্ছিন্ন আছে। এছাড়াও আশ্রয় কেন্দ্রগুলো থেকে খাগড়াছড়ি বাড়িঘরে ফিরলেও দুর্ভোগে পড়ছে স্থানীয় লোকজন।

কৃষি বিভাগের উপপরিচালক নাসির উদ্দিন চৌধুরী জানান, দীঘিনালায় মাইনি নদীর পানি এখনো অপরিবর্তিত থাকলেও চেংগী নদীর পানি নামতে শুরু করেছে।

তিনি আরও জানান, ভারী বৃষ্টিপাতে আউশ ধান ১৩৮ হেক্টর আমান বীজ তলা ২০২ ও ১৪৩ হেক্টর সবজির ক্ষতি হয়েছে। খাগড়াছড়ির সঙ্গে রাঙামাটি ও মহালছড়ির যোগাযোগ ও দীঘিনালার সঙ্গে সাজেক লংগদু উপজেলার যোগাযোগ এখনও বিচ্ছিন্ন আছে।

এদিকে থেমে থেমে ভারী বৃষ্টিপাত অব্যাহত থাকায় আবারও বাড়তে পারে চেঙ্গী ও মাইনি নদীর পানি। খাগড়াছড়ি সদর ও দীঘিনালা উপজেলার নিম্নাঞ্চলের বেশ কয়েকটি গ্রামে এখনও পানি জমে রয়েছে। এখনো আশ্রয়কেন্দ্রে অবস্থান করছে অনেক পরিবার। প্রশাসনের পক্ষ থেকে তাদের খাবারসহ প্রয়োজনীয় সহায়তা দেওয়া হচ্ছে।

এরই মধ্যে খাগড়াছড়ির শালবন, সবুজবাগ, কুমিল্লা টিলাসহ বিভিন্ন এলাকায় পাহাড়ধসের ঘটনা ঘটেছে। তবে এখন পর্যন্ত কোথাও হতাহতের খবর পাওয়া যায়নি।

জেলা প্রশাসনের তথ্য অনুযায়ী, খাগড়াছড়িতে মোট ১৩৫টি আশ্রয়কেন্দ্র প্রস্তুত রাখা হয়েছে এবং প্রয়োজন অনুযায়ী সেগুলোতে দুর্গত মানুষকে আশ্রয় দেওয়া হচ্ছে।

খাগড়াছড়ি সদর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ফারিয়া সুলতানা জানিয়েছেন, প্রশাসনের পক্ষ থেকে বিভিন্ন স্থানে ত্রাণ দেওয়া হচ্ছে। একইভাবে জেলা পরিষদ ও জেলা বিএনপিও পৃথক পৃথকভাবে ত্রাণ সামগ্রী বিতরণ করছে।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Verified by MonsterInsights