গুপ্তধনের সন্ধানে ১৩০ ফুট গর্ত!

অনলাইন ডেস্ক

মাটির নিচে অনেক সোনা লুকিয়ে রয়েছে। সেই লুকানো সোনা খুঁজতে এক সৈনিকের দুঃসাহসিক অভিযান। কিন্তু শেষ পর্যন্ত ওই অমূল্য রত্নভাণ্ডার আর হাতে পাননি। এই ছিল হলিউডের সিনেমা ‘শিসু’র গল্প। কিন্তু সিনেমার গল্প অক্ষরে অক্ষরে মিলে গেল ব্রাজিলের এক বৃদ্ধের জীবনে। সোনা খুঁজতে গিয়ে ১৩০ ফুট গর্ত খুঁড়েছিলেন। ব্যয় করেছিলেন গোটা একটা বছর। শেষ পর্যন্ত সেই গর্তে পড়েই মৃত্যু হল তাঁর।

মৃতের নাম জোয়াও পিমেন্টা। তিনি ওই ‘শিসু’ ছবিটি দেখেছিলেন কিনা জানা নেই। কিন্ত স্বপ্ন দেখেছিলেন। নিজের বাড়ির রান্নাঘরের নিচে প্রচুর সোনা লুকানো রয়েছে, সেই স্বপ্ন দেখেই ৭১ বছরের বৃদ্ধ ঠিক করে ফেলেছিলেন যেভাবেই হোক ওই অমূল্য রত্নভাণ্ডারের সন্ধান পেতেই হবে। যেমন ভাবা তেমন কাজ। প্রতিদিন একটু একটু করে সুড়ঙ্গ খুঁড়তে শুরু করেন। প্রতিবেশীরা বারণ করলেও কানে তোলেননি সেঈ কথা।

নিজে সুড়ঙ্গ খুঁড়তে পারতেন না বলে শ্রমিকদের ভাড়া করে কাজে লাগাতেন। দরকারে অনেক বেশি পারিশ্রমিকও তুলে দিতেন সকলের হাতে। কয়েকদিন আগে ৫০০ মার্কিন ডলারও দেন পারিশ্রমিক হিসাবে। বারবার বাধা পেলেও থেমে থাকেননি জোয়াও। শেষ পর্যন্ত ভেবেছিলেন, একটা ডিনামাইট দিয়ে বিস্ফোরণ করাবেন। কারণ বড় পাথর সরিয়ে ফেলতে পারলেই সোনা মিলবে, অগাধ বিশ্বাস ছিল জোয়াওর।
কিন্তু শেষ পর্যন্ত আর স্বপ্ন সত্যি হল না। নিজের খোঁড়া গর্তে পড়ে গিয়েই মৃত্যু হল জোয়াওর। ময়নাতদন্তে জানা গেছে, ১৩০ ফুট নীচে পড়ে গিয়ে মাথা ফেটে গিয়েছিল তার। ভেঙেছিল হাত পাও। প্রতিবেশীরা তাকে পড়ে যেতে দেখলেও উদ্ধার করতে পারেননি।

সূত্র: ডেইলি মেইল।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Verified by MonsterInsights