“ঘুরে দেখা বেলজিয়াম”
হাসিনা মরিয়ম
১৫ই ফেব্রুয়ারী সকাল ৬.৫০ কাতার এয়ারলাইন্স এর ফ্লাইট ব্রসেলসের জাবেনথেন ইন্টারন্যাশনাল এয়ারপোর্টে নেমে ইমিগ্রেশন ক্রস করে বাইরের সকালের ঠান্ডা হাওয়ার ঝাপটা চোখে মুখে লাগতেই একধরনের সতেজ অনুভূতি জাগে সমস্ত ইন্দ্রিয়তে,এক ধরনের ভালো লাগা কাজ করে, দীর্ঘ ভ্রমণের ক্লান্তি মূহুর্তের মধ্যে উবে যায়, মাইনাস ডিগ্রি চলছে তখন বেলজিয়ামে,গাড়ি ছুটে চলছে গন্তব্যের উদ্দেশে, রাস্তার পাশে, গাছের পাতায় সাদা বরফের চাদরে মোড়ানো চারপাশ, অনিন্দ্য সুন্দর এই দৃশ্য মুগ্ধতা ছড়িয়ে দেয়, সূর্য ঢাকা পড়ে আছে বরফের আড়ালে, চারপাশে কেউ নেই, দুই একটা গাড়ি সাই করে পাশ দিয়ে ছুটে চলে, আগে ও এসেছি তবে এবারই প্রথম সকাল দেখার সুযোগ হয়েছে, ফেব্রুয়ারির শীত গায়ে লাগে, প্রচন্ড ঠান্ডা, তারপর ও ভালো লাগছে,বাসায় এসে পরিবারের সাথে দেখা হওয়ার পর দীর্ঘ ভ্রমণের ক্লান্তি আনন্দে রূপ নেয়, ফ্রেশ হয়ে কফি খেয়ে বেড়িয়ে পড়েছি সবাই, এলো মেলো হাঁটছি এদিক ওদিক, সকালের ব্যস্ততা শহরে, সবাই ব্যস্ত,আমরা একটা রেস্টুরেন্টে বসে কফি স্ন্যাকস খেলাম, যা দেখছি তাই ভালো লাগছে আমার, কিছু প্রয়োজনীয় কেনা কাটা করে বাসায় চলে আসি, এর আগে ও বেলজিয়ামের অনেক কিছু দেখার সৌভাগ্য হয়ে ছিল আমার, ভালো লাগা এক দেশের নাম বেলজিয়াম, ইউরোপীয় ইউনিয়নের রাজধানী বেলজিয়াম, এখানকার মানুষ ফ্র্যন্স, ফ্ল্যমিশ, ইংরেজিতে কথা বলে, বেলজিয়াম খ্রিস্টান প্রধান দেশ,তবে এনথরপেন প্রচুর ইহুদি বাস করে, এনথরপেন ডায়মন্ডের জন্য ও বিখ্যাত, এছাড়াও বেলজিয়ামে মুসলিম জনসংখ্যা ও কম নয়, মরক্কো,তার্কিশ,আলজেরিয়ান,পাকিস্তান, ইন্ডিয়া ও বাংলাদেশের নাগরিক ও অন্যান্য দেশের নাগরিক এখানে বসবাস করে, সাধারণত এরা এখানে বিভিন্ন ব্যবসা করে জীবিকা নির্বাহ করে,বিভিন্ন ভাষা ভাষির বৈচিত্রে ভরপুর বেলজিয়াম, অনেকে চাকরি ও করে, বৈচিত্রময় খাবার ও পোশাকের এক অনিন্দ্য সংমিশ্রণ এর দেশ বেলজিয়াম, এরা শান্তি প্রিয় জাতি, এখানে পুলিশ খুব ভালো, যে কোনো সমস্যায় মানুষ পুলিশ সাহায্য নেয়, সবকিছু মিলিয়ে বেলজিয়াম একটি সুন্দর দেশ।
