চট্টগ্রামে নলকূপের গর্তে পড়ে যাওয়া সেই শিশু মারা গেছে

নিজস্ব প্রতিবেদক, চট্টগ্রাম

চট্টগ্রামের রাউজান উপজেলার কদলপুর ইউনিয়নের ৭ নম্বর ওয়ার্ডের জয়নগর গ্রামে একটি গভীর নলকূপের গর্তে পড়ে যাওয়া তিন বছর বয়সী এক শিশুকে চার ঘণ্টা চেষ্টার পর উদ্ধার করা হয়। পরে হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হলে চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।

এর আগে বুধবার বিকেল ৪টার দিকে শিশুটি তার বাড়ির পাশে থাকা গভীর নলকূপের গর্তে পড়ে যায়। শিশুটির নাম মো. মিসবাহ উদ্দিন। তার বাবার নাম সাইফুল ইসলাম।

ফায়ার সার্ভিসের উপ সহকারী পরিচালক আবদুল মান্নান জানান, শিশুটিকে চার ঘণ্টা চেষ্টার পর রাত ৮টার দিকে উদ্ধার করে রাউজান উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নেওয়া হয়।

রাউজান থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. সাজেদুল ইসলাম জানান, শিশুটিকে উদ্ধারের পর হাসপাতালে নেওয়া হলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।

স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, শিশুটির ঘরের ৩০ থেকে ৪০ ফুট দূরে গত ৪-৫ বছর আগে সরকারিভাবে গভীর নলকূপের জন্য গর্ত খোঁড়া হয়। তবে নলকূপ বসানো হয়নি। বিকেলে ওই গর্তে পড়ে নিখোঁজ হয় শিশুটি। পরে পুলিশ ও ফায়ার সার্ভিসের তিনটি ইউনিটের কর্মীরা ও প্রয়োজনীয় সরঞ্জাম নিয়ে উদ্ধার পরিচালনা করেন। ফায়ার সার্ভিস ওই গর্তের পাশে আরেকটি গর্ত করে শিশুকে উদ্ধার তৎপরতা শুর করে। দেওয়া হয়েছিল ভ্যান্টিলেশন। ক্যামেরায় শনাক্ত করা হয় শিশুর অবস্থান।

রাউজান থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. সাজেদুল ইসলাম বলেন, বুধবার বিকেলে ভাই-বোন দুইজন মিলে সেখানে থাকা একটি ট্যাংক থেকে পানি পান করতে যায়। এ সময় পাশে থাকা গভীর নলকূপের গর্তে পড়ে যায় মিসবাহ। তখন বোন তাকে হাত ধরে তোলার চেষ্টা করেও পারেনি। এ সময় শিশুটি গভীর নলকূপের গর্তে পড়ে যায়। পরে পুলিশ ও ফায়ার সার্ভিস উদ্ধার অভিযান শুরু করে।

প্রসঙ্গত, এর আগে গত বছরের ২৩ ডিসেম্বর চট্টগ্রামের রাঙ্গুনিয়া উপজেলার ইসলামপুর ইউনিয়নের ৪ নম্বর ওয়ার্ডের টেকপাড়া পুলিশ ক্যাম্প এলাকার একটি ইটভাটার মাটি কাটার গর্তে পড়ে রুমান হোসেন নিজস্ব প্রতিবেদক, চট্টগ্রাম
অনলাইন ভার্সন
চট্টগ্রামে নলকূপের গর্তে পড়ে যাওয়া সেই শিশু মারা গেছে

চট্টগ্রামের রাউজান উপজেলার কদলপুর ইউনিয়নের ৭ নম্বর ওয়ার্ডের জয়নগর গ্রামে একটি গভীর নলকূপের গর্তে পড়ে যাওয়া তিন বছর বয়সী এক শিশুকে চার ঘণ্টা চেষ্টার পর উদ্ধার করা হয়। পরে হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হলে চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।

এর আগে বুধবার বিকেল ৪টার দিকে শিশুটি তার বাড়ির পাশে থাকা গভীর নলকূপের গর্তে পড়ে যায়। শিশুটির নাম মো. মিসবাহ উদ্দিন। তার বাবার নাম সাইফুল ইসলাম।

ফায়ার সার্ভিসের উপ সহকারী পরিচালক আবদুল মান্নান জানান, শিশুটিকে চার ঘণ্টা চেষ্টার পর রাত ৮টার দিকে উদ্ধার করে রাউজান উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নেওয়া হয়।

রাউজান থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. সাজেদুল ইসলাম জানান, শিশুটিকে উদ্ধারের পর হাসপাতালে নেওয়া হলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।

স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, শিশুটির ঘরের ৩০ থেকে ৪০ ফুট দূরে গত ৪-৫ বছর আগে সরকারিভাবে গভীর নলকূপের জন্য গর্ত খোঁড়া হয়। তবে নলকূপ বসানো হয়নি। বিকেলে ওই গর্তে পড়ে নিখোঁজ হয় শিশুটি। পরে পুলিশ ও ফায়ার সার্ভিসের তিনটি ইউনিটের কর্মীরা ও প্রয়োজনীয় সরঞ্জাম নিয়ে উদ্ধার পরিচালনা করেন। ফায়ার সার্ভিস ওই গর্তের পাশে আরেকটি গর্ত করে শিশুকে উদ্ধার তৎপরতা শুর করে। দেওয়া হয়েছিল ভ্যান্টিলেশন। ক্যামেরায় শনাক্ত করা হয় শিশুর অবস্থান।

রাউজান থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. সাজেদুল ইসলাম বলেন, বুধবার বিকেলে ভাই-বোন দুইজন মিলে সেখানে থাকা একটি ট্যাংক থেকে পানি পান করতে যায়। এ সময় পাশে থাকা গভীর নলকূপের গর্তে পড়ে যায় মিসবাহ। তখন বোন তাকে হাত ধরে তোলার চেষ্টা করেও পারেনি। এ সময় শিশুটি গভীর নলকূপের গর্তে পড়ে যায়। পরে পুলিশ ও ফায়ার সার্ভিস উদ্ধার অভিযান শুরু করে।

প্রসঙ্গত, এর আগে গত বছরের ২৩ ডিসেম্বর চট্টগ্রামের রাঙ্গুনিয়া উপজেলার ইসলামপুর ইউনিয়নের ৪ নম্বর ওয়ার্ডের টেকপাড়া পুলিশ ক্যাম্প এলাকার একটি ইটভাটার মাটি কাটার গর্তে পড়ে রুমান হোসেন (৭) নামের এক শিশুর মৃত্যু হয়। নিহত রুমান ওই এলাকার বাসিন্দা আলাউদ্দিনের ছেলে।

তাছাড়া, গত বছরের ১১ ডিসেম্বরে রাজশাহীর তানোরে পরিত্যক্ত নলকূপের গভীর গর্তে সাজিদ নামের দুই বছর বয়সী এক শিশু পড়ে যায়। পরে ৩২ ঘণ্টা পর শিশু সাজিদকে মৃত অবস্থায় উদ্ধার করা সম্ভব হয়। (৭) নামের এক শিশুর মৃত্যু হয়। নিহত রুমান ওই এলাকার বাসিন্দা আলাউদ্দিনের ছেলে।

তাছাড়া, গত বছরের ১১ ডিসেম্বরে রাজশাহীর তানোরে পরিত্যক্ত নলকূপের গভীর গর্তে সাজিদ নামের দুই বছর বয়সী এক শিশু পড়ে যায়। পরে ৩২ ঘণ্টা পর শিশু সাজিদকে মৃত অবস্থায় উদ্ধার করা সম্ভব হয়।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Verified by MonsterInsights