চার চিকিৎসকের অবস্থান জানতে চেয়ে পুলিশ কমিশনারকে চিঠি বিএমএ’র
নিজস্ব প্রতিবেদক, খুলনা
মেডিকেল কলেজে ভর্তি পরীক্ষায় প্রশ্ন ফাঁসে জড়িত অভিযোগে খুলনার থ্রি ডক্টরস কোচিং সেন্টারের মালিক ডা. ইউনুচ খাঁন তারিমকে আটকের পর আতঙ্কে রয়েছে চক্রের বাকি সদস্যরা। এরই মধ্যে খুলনা থেকে আরও চার চিকিৎসককে সিআইডি পরিচয়ে তুলে নেওয়া হয়েছে।
এসব চিকিৎসকরা হচ্ছেন- জেনারেল প্রাকটিশনার ডা. মুসতাহিন হাসান লামিয়া (কে-২৫), খুলনা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের অনারারী চিকিৎসক ডা. নাজিয়া মাহজাবিন তিশা (কে-২৫), ইন্টার্ণ চিকিৎসক ডা. সর্মিষ্ঠা মন্ডল (কে-২৫) ও ডা. লুইস সৌরভ সরকার।
শুক্রবার নিজ নিজ বাড়ি থেকে তাদেরকে সিআইডি পরিচয়ে নিয়ে যাওয়া হয়।
তবে এসব চিকিৎসকের পরিবারের পক্ষ থেকে মেডিকেল প্রশ্ন ফাঁসের সাথে তারা কোনভাবে জড়িত নয় বলে দাবি করা হয়।
সোমবার (২১ আগষ্ট) খুলনা বিএমএ ভবনে সংবাদ সম্মেলনে চার চিকিৎসককে সিআইডি পরিচয়ে তুলে নিয়ে যাওয়ার ঘটনায় উদ্বেগ প্রকাশ করা হয়। কোন ধরনের ওয়ারেন্ট ছাড়াই তাদেরকে তুলে নিয়ে যাওয়ায় জীবনের নিরাপত্তার শঙ্কার কথা জানিয়েছেন পরিবারের সদস্যরা।
অপরদিকে বিএমএ খুলনার পক্ষ থেকে ওই চারজন চিকিৎসকের বর্তমান অবস্থান সম্পর্কে জানানোর জন্য পুলিশ কমিশনারের কাছে আবেদন করা হয়েছে।
বিএমএ খুলনার নেতৃবৃন্দ বলছেন, যেভাবে চার চিকিৎসককে তুলে নেওয়া হয়েছে তা উদ্বেগজনক। তবে প্রশ্ন ফাঁসে ঘটনায় অপরাধী হলে তাদের শাস্তি প্রদানের বিষয়ে আপত্তি থাকবে না বলে জানানো হয়।
উল্লেখ্য, মেডিকেল প্রশ্ন ফাঁসের অভিযোগে ১৮ আগষ্ট খুলনা থেকে থ্রি ডক্টরস কোচিং সেন্টারের মালিক ডা. ইউনুচ খান তারিমকে আটক করে অপরাধ অপরাধ তদন্ত বিভাগ (সিআইডি) ঢাকার সদস্যরা।
