দিনাজপুরে খ্রিষ্টীয় সম্প্রদায়ের ব—দিন উদযাপন আনন্দÑউল্লাসে মুখরিত গ্রামাঞ্চল
আব্দুস সালাম, দিনাজপুর প্রতিনিধি : ২৫ সে ডিসেম্বর যিসু খ্রিস্টের জন্মদিন উপলক্ষ্যে
দিনাজপুরের খ্রিষ্টীয় সম্প্রদায়ের মধ্যে ব—দিন উদযাপন ঘিরে ছিল আনন্দÑউল্লাস ও ধর্মীয় উচ্ছ্বাস।
জেলার কসবা, সুইহারি মির্জাপুর, পশ্চিম শিবরামপুর গুচ্ছগ্রাম এবং ডাঙ্গাপা—া এলাকায় দিনভর
চলেছে প্রাথর্না, কুশল বিনিময় এবং ঐতিহ্যবাহী সাংস্কৃতিক পরিবেশনা।
সকাল থেকেই গির্জাগুলোতে ভি— জমায় উৎসবপ্রিয় মানুষ। ধর্মীয় প্রাথর্না শেষে আত্মীয়Ñস্বজন
এবং প্রতিবেশীদের সঙ্গে কুশল বিনিময় করে ব—দিনের আনন্দ ভাগাভাগি করেন তারা।
সুইহারি মির্জাপুর এলাকার বাসিন্দা বেঞ্জামিন সরেন, সুজলা মহাপাত্র, গ্যাব্রিয়েল কিস্কু বলেন,
“ব—দিন আমাদের কাছে শুধু ধর্মীয় উৎসব নয়, এটি আমাদের ঐতিহ্য ও সংস্কৃতির একটি ব— অংশ।
আমরা একত্রে প্রাথর্না করি এবং দলবদ্ধ হয়ে গানÑবাজনা করি। এটা আমাদের জীবনে এক বিশেষ দিন।”
গ্রামে ব—দিনের অন্যতম আকর্ষণ ছিল দলবদ্ধ সাংস্কৃতিক পরিবেশনা। হারমোনি, ঢোল, এবং তবলার
তালে আদিবাসী ঐতিহ্যবাহী গান পরিবেশন করে গ্রামবাসীরা। প্রতিটি বা—ি ছিল
অতিথিপরায়ণতায় ভরপুর, আর সাংস্কৃতিক পরিবেশনা গ্রামের শিশুÑকিশোরদের মাঝে এনে দেয় নতুন
উৎসাহ।
কর্মকর্তা জুনাইদ হাবীব, কৃষি সম্প্রসারণ কর্মকর্তা মীর রাকিবুল
ইসলাম। এছাড়াও বক্তব্য রাখেন হলিধানী ইউনিয়ন উপ-সহকারী কর্মকর্তা
মফিজ উদ্দিন, স্থানীয় কৃষক মতিয়ার রহমান প্রমুখ।
আয়োজকরা জানায়, সরকারিভাবে কৃষি প্রণোদনার আওতায় গাগান্না
গ্রামের ১১৫ জন কৃষকের ১৫০ বিঘা জমিতে সমলয় পদ্ধতিতে চাষাবাদ করা
হবে। এই পদ্ধতিতে বীজতলা ও ধানের চারা রোপণে ব্যবহার করা হচ্ছে
আধুনিক কৃষি যন্ত্রপাতি। ফলে কৃষিতে খুলছে এক নতুন দুয়ার।
আয়োজকরা আরও জানান, প্রচলিত রীতিতে বীজতলা তৈরি না করে জমি ও
সময় অপচয়রোধে কৃষি যান্ত্রিকীকরণের যুগোপযোগী পদ্ধতি হচ্ছে
‘সমলয়’ চাষ। স্বল্প জমিতে প্লাস্টিকের ফ্রেম বা ট্রে-তে লাগানো যায়
ধানের বীজ। ২০ থেকে ২৫ দিনের মধ্যে চারা হয়। রাইস ট্রান্সপ্ল্যান্টারের
মাধ্যমে ধানের চারা রোপণ করলে সময় কম লাগবে।্#৩৯; এতে উৎপাদন খরচ ও শ্রমিক
সংকট দূর হবে। কৃষকরা আরও লাভবান হবেন।
