বসুন্ধরা কিংসে ভুটানের ‘রোনালদো’ চেনচো জিয়েলশেন
স্পোর্টস ডেস্ক
২০২৬-২৭ মৌসুম সামনে রেখে দল শক্তিশালী করার মিশনে একের পর এক চমক দেখাচ্ছে বসুন্ধরা কিংস। এবার আক্রমণভাগ আরও ধারালো করতে ভুটানের তারকা ফরোয়ার্ড চেনচো জিয়েলশেনকে দলে ভিড়িয়েছে বাংলাদেশ প্রিমিয়ার লিগের বর্তমান চ্যাম্পিয়নরা।
ভুটানে ‘রোনালদো’ নামে পরিচিত চেনচোর সঙ্গে চুক্তির বিষয়টি ক্লাব সূত্র নিশ্চিত করেছে। তার আগমন বসুন্ধরা কিংসের আক্রমণভাগে বাড়তি গতি ও অভিজ্ঞতা যোগ করবে বলে মনে করছে ক্লাব কর্তৃপক্ষ।
বাংলাদেশের ফুটবলে চেনচোর অভিজ্ঞতাও রয়েছে। ২০১৬ সালে চট্টগ্রাম আবাহনীর হয়ে খেলেছিলেন ভুটান জাতীয় দলের ৭ নম্বর জার্সিধারী এই ফরোয়ার্ড। সেবার সাত ম্যাচে পাঁচ গোল করেছিলেন তিনি।
দক্ষিণ এশিয়ার ফুটবলে দীর্ঘদিন ধরেই পরিচিত মুখ চেনচো। ভুটান জাতীয় দলের সর্বকালের সর্বোচ্চ গোলদাতা এই ফরোয়ার্ড ভারতের একাধিক শীর্ষ ক্লাবেও খেলেছেন। ২০১১ সালে ভুটান জাতীয় দলে অভিষেকের পর এখন পর্যন্ত ৪৯ ম্যাচে করেছেন ১৫ গোল।
ট্রান্সফার নিষেধাজ্ঞা উঠে যাওয়ার পর থেকেই দ্রুত দল গোছানোর কাজে নেমেছে বসুন্ধরা কিংস। এরই ধারাবাহিকতায় নেপাল জাতীয় দলের অভিজ্ঞ ডিফেন্সিভ মিডফিল্ডার রোহিত চাঁদকে দলে নিয়েছে ক্লাবটি।
এরপর একই দিনে নেপালের দুই উইঙ্গার মানিশ দাঙ্গি ও অঞ্জন বিস্তার সঙ্গেও চুক্তি করেছে ছয়বারের লিগ চ্যাম্পিয়নরা। চেনচোসহ সাফ অঞ্চলের এই চার বিদেশি ফুটবলারই নিয়ম অনুযায়ী ঘরোয়া ফুটবলে ‘দেশি’ কোটায় খেলতে পারবেন।
নতুন মৌসুমে ঘরোয়া সাফল্য ধরে রাখার পাশাপাশি আন্তর্জাতিক পর্যায়েও নিজেদের অবস্থান আরও শক্ত করতে চাইছে বসুন্ধরা কিংস। সেই পরিকল্পনায় চেনচোর অভিজ্ঞতা ও গোল করার দক্ষতা গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারে।
শুধু সাফ অঞ্চলের খেলোয়াড় নয়, দেশি ফুটবলারদেরও স্কোয়াডে যোগ করছে বসুন্ধরা কিংস। জাতীয় দলের মিডফিল্ডার কাজেম শাহকে দলে নিয়েছে তারা।
বাংলাদেশ পুলিশ এফসিতে খেলার পর গত মৌসুমে ঢাকা আবাহনীতে যোগ দিয়েছিলেন কাজেম। এবার নতুন মৌসুমে তার ঠিকানা বসুন্ধরা কিংসের ‘রেড অ্যান্ড হোয়াইট’ শিবির।
