‘বাংলাদেশে বিনিয়োগ সম্ভাবনা নিয়ে কাজ করছে দক্ষিণ কোরিয়া’

নিজস্ব প্রতিবেদক, সিলেট

ঢাকাস্থ দক্ষিণ কোরিয়া অ্যাম্বেসির কমার্শিয়াল কাউন্সেলর স্যাম সু কিম বলেছেন, ১৯৬০ সালে দক্ষিণ কোরিয়া অর্থনৈতিকভাবে কেনিয়া ও ঘানার থেকেও দরিদ্র ছিল। কিন্তু পরিকল্পিত ও প্রযুক্তিগত উন্নয়নের মাধ্যমে দক্ষিণ কোরিয়া এখন একটি উন্নত দেশে পরিণত হয়েছে।

তিনি বলেন, কোরিয়া অটোমোবাইল, এনার্জি, ব্যাটারি, পেট্রো কেমিক্যাল ইত্যাদি খাতে অনেক এগিয়ে গেছে। দক্ষিণ কোরিয়া বাংলাদেশের সাথে বাণিজ্য সম্পর্ক বৃদ্ধিতে আগ্রহী। বাংলাদেশে বিনিয়োগের সম্ভাবনাময় খাত নিয়ে দক্ষিণ কোরিয়া কাজ করছে।

বৃহস্পতিবার দুপুরে সিলেট চেম্বার অব কমার্স এন্ড ইন্ডাস্ট্রির নেতৃবৃন্দের সাথে মতবিনিময়কালে স্যাম সু কিম এ কথাগুলো বলেন। চেম্বারের কনফারেন্স হলে এই মতবিনিময় অনুষ্ঠিত হয়।
মতবিনিময় সভায় সিলেট চেম্বারের সিনিয়র সহ সভাপতি ফালাহ উদ্দিন আলী আহমদ বলেন, দক্ষিণ কোরিয়া ও বাংলাদেশের বাণিজ্য সম্পর্ক নতুন মাত্রায় উন্নীত হয়েছে। ২০২২ সালে দক্ষিণ কোরিয়া ও বাংলাদেশের মধ্যে ৩.০৩৫ বিলিয়ন ডলারের বাণিজ্য হয়েছে। যার মধ্যে বাংলাদেশ ৬৭৮ মিলিয়ন ডলারের পণ্য রপ্তানি ও ২.৩৫৭ বিলিয়ন ডলারের পণ্য আমদানি করেছে। অর্থাৎ এখানে প্রায় ২.৩৫৬ বিলিয়ন ডলারের বাণিজ্য ঘাটতি রয়েছে। শক্তিশালী বাণিজ্য সম্পর্ক গড়ে তুলতে রপ্তানি ভারসাম্য বজায় রাখতে বাংলাদেশ থেকে কোরিয়ায় পণ্য রপ্তানি বৃদ্ধি করতে হবে। এ ব্যাপারে তিনি কোরিয়ান অ্যাম্বাসির সহযোগিতা কামনা করেন।

সভায় চেম্বার নেতৃবৃন্দ বলেন, দক্ষিণ কোরিয়া থেকে বাংলাদেশ মোবাইল, মেডিকেল ইকুইপমেন্টসহ অনেক প্রযুক্তি পণ্য আমদানি করে। এসব পণ্যের কারখানা বাংলাদেশে গড়ে তুললে উৎপাদন খরচ কমবে বাংলাদেশে কর্মসংস্থানেরও সুযোগ সৃষ্টি হবে। এতে দুই দেশই আর্থিকভাবে লাভবান হবে।

সভায় অন্যান্যের মধ্যে বক্তব্য রাখেন কোরিয়া ট্রেড ইনভেস্টমেন্ট প্রমোশন এজেন্সি (কটরা)’র চিফ স্পেশালিস্ট ফারুক আহমদ, সিলেট চেম্বারের পরিচালক মো. হিজকিল গুলজার, মো. আব্দুর রহমান জামিল, মো. মুজিবুর রহমান মিন্টু, ফাহিম আহমদ চৌধুরী, মেট্রোপলিটন চেম্বারের পরিচালক মো. জহির হোসেন প্রমুখ।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Verified by MonsterInsights