বাংলাদেশ-মালয়েশিয়া মুখোমুখি
ক্রীড়া প্রতিবেদক
এশিয়া হকির সর্বোচ্চ আসর এশিয়া কাপে খেলাটা বাংলাদেশের নতুন কিছু নয়। তবে এবারে অংশ নেওয়াটা ব্যতিক্রমই বলা যায়। কেননা বাংলাদেশের তো খেলারই কথা ছিল না। এএইচএফ কাপে সেমিফাইনালে ওমানের কাছে হেরে এশিয়া কাপের সুযোগ হারায়। ওই যে কথা আছে না, রাখে আল্লাহ মারে কে? এমনই হয়েছে জাতীয় হকি দলের। ভারতে হচ্ছে বলে এশিয়া কাপ থেকে নাম প্রত্যাহার করে নেয় পাকিস্তান। তাদেরই জায়গায় খেলার সুযোগ পেয়ে যায় বাংলাদেশ। আজ ভারতের বিহারে পর্দা উঠছে আট জাতি এশিয়া কাপের। উদ্বোধনী দিনেই মালয়েশিয়ার বিপক্ষে খেলতে নামবে বাংলাদেশ। ‘বি’ গ্রুপে বাংলাদেশের অপর দুই প্রতিপক্ষ দক্ষিণ কোরিয়া ও চীন তাইপে। আগামীকাল বাংলাদেশের দ্বিতীয় ম্যাচ চীন তাইপের বিপক্ষে। ১ সেপ্টেম্বর গ্রুপের শেষ ম্যাচে প্রতিপক্ষ দক্ষিণ কোরিয়া। প্রশ্ন হচ্ছে কেমন হবে বাংলাদেশের শুরুটা। সত্যি বলতে কি জয়ের কোনো সম্ভাবনা নেই। ড্র করলেও হবে বাংলাদেশের বড় প্রাপ্তি। বরং ব্যবধানটা কত ছোট করা যায় সে লক্ষ্যেই খেলতে হবে রেজাউল করিমদের। দক্ষিণ কোরিয়ার বিপক্ষেও একই অবস্থা। গ্রুপে চীন তাইপেকে হারানোর সামর্থ্য রয়েছে বাংলাদেশের। দুই গ্রুপের সেরা চার দল সেমিফাইনাল খেলবে। বাংলাদেশের শেষ চারে থাকার কোনো সম্ভাবনা নেই। টার্গেট টপ ফাইভে থেকে বিশ্বকাপ হকির বাছাই পর্ব খেলা। তাও অসম্ভবই বলা যায়, কেননা ‘এ’ গ্রুপ থেকে স্বাগতিক ভারত ও জাপানের সেমিফাইনাল খেলার সম্ভাবনা বেশি। চীন বাদ পড়ে গেলে পঞ্চম স্থানে থাকতে লড়বে। এখানেই বাংলাদেশের বড় লড়াইটা হবে। এশিয়া কাপের দল গঠন নিয়ে কম বিতর্ক হচ্ছে না। পুস্কর ক্ষিসামিমোসহ তিন নির্ভরযোগ্য খেলোয়াড়কে স্কোয়াডে রাখা হয়নি। ফেডারেশনের কর্মকর্তাদের অনিয়মে প্রতিবাদ করায় নাকি তাদের বাদ দেওয়া হয়েছে। হেড কোচ মনোনয়ন নিয়েও রয়েছে বিতর্ক।
