বিকাশ পার্টনার এক্সিলেন্স অ্যাওয়ার্ড পেল হুয়াওয়ে
অনলাইন ডেস্ক
বিকাশ আয়োজিত ৬ষ্ঠ ’পার্টনার এক্সিলেন্স অ্যাওয়ার্ড’ অনুষ্ঠানে ‘টেকনোলজি অ্যাওয়ার্ড’ অর্জন করেছে হুয়াওয়ে। বাংলাদেশজুড়ে আট কোটি চল্লিশ লাখেরও বেশি ব্যবহারকারীর জন্য ডিজিটাল আর্থিক সেবার উন্নয়নে প্রযুক্তি সরবরাহকারী ও সহযোগী হিসেবে হুয়াওয়ের অবদানকে এই পুরস্কারের মাধ্যমে স্বীকৃতি দেয়া হয়।
বিকাশের সাপ্লাই চেইন ম্যানেজমেন্ট বিভাগ আয়োজিত এই বার্ষিক অনুষ্ঠানে বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের উচ্চ পদস্থ কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন। অনুষ্ঠানে ৮টি বিভাগে মোট ১৭টি প্রতিষ্ঠানকে সম্মাননা প্রদান করা হয়। প্রতিষ্ঠানগুলি বাংলাদেশের কোটি কোটি মানুষের জন্য মোবাইল ফাইন্যান্সিয়াল সার্ভিস (এমএফএস) আরও সহজলভ্য ও নিরবচ্ছিন্ন করতে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রেখে চলেছে। হুয়াওয়ে বিকাশের প্রযুক্তিগত অবকাঠামোতে অবদান রাখায় এই স্বীকৃতি পেয়েছে।
অনুষ্ঠানে বিকাশের উচ্চ পদস্থ কর্মক্তারা সম্মাননাপ্রাপ্ত প্রতিষ্ঠানগুলোকে অভিনন্দন জানান। এ সময় বিকাশের চিফ ফাইন্যান্সিয়াল অফিসার মঈনুদ্দিন মোহাম্মদ রাহগীর এবং সাপ্লাই চেইন ম্যানেজমেন্ট বিভাগের এক্সিকিউটিভ ভাইস প্রেসিডেন্ট মোহাম্মদ রাশেদুল আলম হুয়াওয়ের সততা, নিষ্ঠা, নিয়মানুবর্তীতা, এবং সহযোগিতামূলক ভূমিকার প্রশংসা করেন।
বিকাশের সাপ্লাই চেইন ম্যানেজমেন্ট বিভাগের এক্সিকিউটিভ ভাইস প্রেসিডেন্ট মোহাম্মদ রাশেদুল আলম বলেন, “হুয়াওয়ের মতো সহযোগীরা সুনিয়ন্ত্রিত কমপ্লায়েন্স, সর্বোচ্চ নিষ্ঠা এবং সহযোগিতামূলক অংশীদারিত্ব নিশ্চিত করতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেছে। এই বিষয়গুলো আমাদের কোটি কোটি ব্যবহারকারীর জন্য আরও উন্নত সেবার অভিজ্ঞতা নিশ্চিত করতে সহায়তা করছে।”
হুয়াওয়ে বাংলাদেশের অ্যাকাউন্ট ডিরেক্টর ডু কংকং বলেন, “এই স্বীকৃতি বাংলাদেশের ডিজিটাল ভবিষ্যৎ গঠনে আমাদের দীর্ঘদিনের অঙ্গীকারকে তুলে ধরেছে। বিকাশের সঙ্গে আমরা এমন একটি প্রযুক্তিগত অবকাঠামো নির্মাণে কাজ করে যাব, যা আধুনিক আর্থিক সেবার মাধ্যমে দেশের কোটি কোটি মানুষের ক্ষমতায়নে ভূমিকা রাখবে।”
বিকাশের এই স্বীকৃতি দক্ষিণ ও দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ায় অন্তর্ভুক্তিমূলক ডিজিটাল অর্থনীতির উন্নয়নে হুয়াওয়ের অঙ্গীকারকে প্রতিফলিত করে। একই সাথে এটি বিশ্বের অন্যতম বিকাশমান মোবাইল আর্থিক সেবার বাজারে বিশ্বস্ত প্রযুক্তি সহযোগী হিসেবে হুয়াওয়ের অবস্থানকে আরও সুদৃঢ় করেছে। বর্তমানে হুয়াওয়ের ডিজিটাল ফাইন্যান্সিয়াল প্ল্যাটফর্ম বিশ্বব্যাপী প্রায় ৪১ কোটি ব্যবহারকারীকে সেবা প্রদান করছে। এই প্ল্যাটফর্ম এশিয়া ও আফ্রিকার ৬০টিরও বেশি বাজারে ব্যবহৃত হচ্ছে এবং বিশ্বের ডিজিটাল অর্থনীতির স¤প্রসারণে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রেখে চলেছে।
