মশার ৯৯ শতাংশ জন্ম জলাবদ্ধতা থেকে: কবিরুল বাশার
নিজস্ব প্রতিবেদক
জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের কীটতত্ত্ববিদ ও মশা গবেষক অধ্যাপক ড. কবিরুল বাশার বলেন,‘ঢাকার মোট মশার প্রায় ৯৯ শতাংশই জলাবদ্ধতার সঙ্গে সম্পর্কিত। আমরা যদি জলাবদ্ধতা সমস্যার সমাধান করতে পারি, তাহলে মশার সংখ্যা উল্লেখযোগ্যভাবে কমে যাবে। বাকি অল্পসংখ্যক মশা বিভিন্ন পাত্রে জন্ম নেয়, যার মধ্যে এডিস মশাও রয়েছে।’
তিনি আরও বলেন, বেজমেন্ট ও পার্কিং এলাকায় জমে থাকা পানিতে ৬৪ শতাংশ মশার জন্ম হয়।
শনিবার রাজধানীর সিরডাপ মিলনায়তনে নগর উন্নয়ন সাংবাদিক ফোরাম, বাংলাদেশ আয়োজিত ‘ঢাকায় বৃষ্টি ভোগায় কেন?’ শীর্ষক নগর সংলাপে এ কথা বলেছেন তিনি।
নগর সংলাপে মূল প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন অধ্যাপক ও কীটতত্ত্ববিদ ড. কবিরুল বাশার এবং প্রকৌশলী-পরিকল্পনাবিদ মো. নুরুল্লাহ।
ড. কবিরুল বাশার বলেন, জলাবদ্ধতা ও মশার সমস্যা সমাধানে নগরবাসীকেও দায়িত্ব নিতে হবে। নিজ নিজ বাসা ও আঙিনা পরিষ্কার রাখার পাশাপাশি সবাইকে সম্মিলিতভাবে কাজ করতে হবে।
গবেষণার তথ্য তুলে ধরে তিনি জানান, ঢাকা শহরের বাসাবাড়ির নিচতলা এবং খোলা জায়গায় জমে থাকা পানিতে মূলত দু’টি প্রজাতির মশার বংশবৃদ্ধি ঘটে।
সেমিনারে গবেষণার একটি মাঠপর্যায়ের ভিডিও প্রদর্শন করা হয়। সেখানে দেখা যায়, পরীক্ষার জন্য মশারির ভেতরে রাখা একজন মানুষের চারপাশে বিপুলসংখ্যক মশা আক্রমণ করছে। মাত্র এক মিনিটে এসপিরেটর দিয়ে অসংখ্য মশা সংগ্রহ করা হয়।
সংগঠনের সভাপতি মতিন আব্দুল্লাহর সভাপতিত্বে এবং সাধারণ সম্পাদক হাসান ইমনের সঞ্চালনায় আরও বক্তব্য রাখেন রিয়েল এস্টেট অ্যান্ড হাউজিং অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশের (রিহ্যাব) প্রেসিডেন্ট ড. আলী আফজাল, বাংলাদেশ ইনস্টিটিউট অব প্ল্যানার্সের সহ-সভাপতি শেখ মুহম্মদ মেহেদী আহসান, ঢাকা ওয়াসার সাবেক এমডি একেএম শহিদ উদ্দিন, বায়ুমণ্ডলী দূষণ অধ্যয়ন কেন্দ্রের (ক্যাপস) চেয়ারম্যান আহমদ কামরুজ্জামান মজুমদার এবং স্থপতি খালিদ মাহমুদ শাহীন প্রমুখ।
