যুক্তরাষ্ট্রে মৃত্যুদণ্ড কার্যকরে যুক্ত হচ্ছে ফায়ারিং স্কোয়াড, বৈদ্যুতিক শক ও বিষাক্ত গ্যাস

অনলাইন ডেস্ক
যুক্তরাষ্ট্রে মৃত্যুদণ্ড কার্যকরের পদ্ধতিতে বড় পরিবর্তনের পরিকল্পনা করছে ট্রাম্প প্রশাসন। প্রাণঘাতী ইনজেকশনের ওষুধের সংকটের কথা উল্লেখ করে ফায়ারিং স্কোয়াড, ইলেকট্রিক চেয়ার ও বিষাক্ত গ্যাসের মতো তিনটি পদ্ধতি যুক্ত করার প্রস্তাব দেওয়া হয়েছে।

রয়টার্সের প্রতিবেদনে বলা হয়, মার্কিন বিচার বিভাগের এক প্রতিবেদনে এসব পদ্ধতি অন্তর্ভুক্ত করার সুপারিশ এসেছে। তবে নতুন পদ্ধতিতে মৃত্যুদণ্ড কার্যকর শুরু হতে কয়েক বছর সময় লাগতে পারে।

ট্রাম্পের দ্বিতীয় মেয়াদে ফেডারেল পর্যায়ে মৃত্যুদণ্ড পুনরায় চালুর প্রতিশ্রুতির অংশ হিসেবে এ উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। এর আগে ২০২১ সালে তাঁর প্রথম মেয়াদের শেষ দিকে ২০ বছরের বিরতি ভেঙে ফেডারেল পর্যায়ে মৃত্যুদণ্ড কার্যকর শুরু হয়।

বর্তমানে যুক্তরাষ্ট্রে অধিকাংশ মৃত্যুদণ্ড অঙ্গরাজ্যগুলোই কার্যকর করে। ট্রাম্প পুনরায় ক্ষমতায় এসে সাবেক প্রেসিডেন্ট জো বাইডেনের স্থগিতাদেশ বাতিল করেন। এখন ৪০ জনের বেশি আসামির বিরুদ্ধে মৃত্যুদণ্ড কার্যকরের আবেদন রয়েছে, যদিও বিচারিক প্রক্রিয়া শেষ হতে সময় লাগবে।

প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, বিকল্প পদ্ধতি যুক্ত থাকলে নির্দিষ্ট ওষুধের সংকটেও মৃত্যুদণ্ড কার্যকর সম্ভব হবে। ইতোমধ্যে কিছু অঙ্গরাজ্যে ফায়ারিং স্কোয়াড ও বিষাক্ত গ্যাসের ব্যবহার শুরু হয়েছে।

তবে এ সিদ্ধান্তের তীব্র সমালোচনা করেছে মানবাধিকার সংগঠনগুলো। তাদের দাবি, এসব পদ্ধতি নিষ্ঠুর ও অমানবিক। কিছু রাজনীতিবিদও মৃত্যুদণ্ডকে বর্বরোচিত আখ্যা দিয়েছেন।

গ্যালাপ জরিপ অনুযায়ী, যুক্তরাষ্ট্রে মৃত্যুদণ্ডের প্রতি জনসমর্থন কমছে। সর্বশেষ জরিপে ৫২ শতাংশ মানুষ সমর্থন করলেও ৪৪ শতাংশ এর বিরোধিতা করেছেন।

রয়টার্স

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Verified by MonsterInsights