রাজধানীর দুর্বল বর্জ্য ব্যবস্থাপনা : ইঁদুরের উপদ্রবে বাড়ছে জনস্বাস্থ্য ঝুঁকি
অনলাইন ডেস্ক
রাজধানীর বিভিন্ন এলাকায় দিনের আলোতেও ইঁদুরের স্বাভাবিক বিচরণ এখন নগরবাসীর জন্য নতুন এক উদ্বেগের কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে। খাবারের সন্ধানে খোলা জায়গায় ঘোরাফেরা করা এসব প্রাণী শুধু বিরক্তিই তৈরি করছে না, বরং জনস্বাস্থ্যের জন্য সম্ভাব্য বড় ঝুঁকির ইঙ্গিত দিচ্ছে বলে মনে করছেন বিশেষজ্ঞরা।
জনস্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞদের মতে, ইঁদুর বিভিন্ন ধরনের রোগজীবাণুর বাহক হিসেবে কাজ করে। তাদের মলমূত্র বা শরীরের সংস্পর্শে খাদ্য ও পানি দূষিত হলে মানুষের মধ্যে সংক্রমণ ছড়িয়ে পড়ার আশঙ্কা থাকে। ঘনবসতিপূর্ণ রাজধানীতে এই ঝুঁকি আরও বেশি বলে সতর্ক করছেন তারা। অন্যদিকে নগর পরিকল্পনাবিদরা বলছেন, ঢাকায় ইঁদুরের সংখ্যা বৃদ্ধির পেছনে মূল কারণ হলো দুর্বল বর্জ্য ব্যবস্থাপনা এবং অপরিকল্পিত নগরায়ণ। নিয়মিত ময়লা অপসারণ না হওয়া, খোলা স্থানে আবর্জনা ফেলে রাখা এবং পর্যাপ্ত ডাস্টবিনের অভাব পরিস্থিতিকে ক্রমেই নিয়ন্ত্রণের বাইরে নিয়ে যাচ্ছে। তাদের মতে, আধুনিক ও বিজ্ঞানসম্মত বর্জ্য ব্যবস্থাপনা নগর স্বাস্থ্য সুরক্ষার অন্যতম মৌলিক শর্ত হলেও স্বাধীনতার পর দীর্ঘ সময় পার হলেও দেশে এখনো কার্যকর ব্যবস্থা গড়ে তোলা সম্ভব হয়নি। এর ফলে রাজধানীতে ইঁদুরের পাশাপাশি মশা ও অন্যান্য রোগবাহক প্রাণীর উপদ্রবও ক্রমাগত বাড়ছে, যা জনস্বাস্থ্য পরিস্থিতিকে আরও জটিল করে তুলছে।
আটলান্টিক মহাসাগরে ভ্রমণরত অবস্থায় গত মে মাসে হান্টা ভাইরাসে আক্রান্ত হয়ে তিনজন মৃত্যুবরণ করেন। ইঁদুরবাহিত এ ভাইরাস মানুষে সংক্রমিত হওয়ায় বিশ্বজুড়ে আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে। যদিও বর্তমানে পরিস্থিতি অনেকটাই নিয়ন্ত্রণে। বিশেষজ্ঞরা তার পরও সতর্ক করে বলছেন, হান্টা ভাইরাস ছাড়াও ইঁদুর থেকে অন্তত ৬০ ধরনের রোগ বিভিন্নভাবে মানুষের দেহে ছড়াতে পারে, যার উল্লেখযোগ্য ঝুঁকি রয়েছে নগর এলাকায় বসবাসরতদের ক্ষেত্রে।
প্রাণী বিশেষজ্ঞদের মতে, ইঁদুর অত্যন্ত অভিযোজনক্ষম ও বুদ্ধিমান স্তন্যপায়ী প্রাণী। মানুষের বসতবাড়ির আশপাশের পরিবেশেই মূলত এর বাস। সাধারণত গর্ত, ড্রেন, নর্দমা, আবর্জনার স্তূপ, গুদামঘর, রান্নাঘরের ফাঁকফোকর কিংবা দেয়ালের ফাটলের মতো অন্ধকার ও নির্জন স্থান ইঁদুরের বসবাসের জন্য উপযোগী।
ইঁদুরের প্রধান দুটি প্রজাতি হলো বড় আকারের ব্রাউন র্যাট ও গৃহস্থালি বা ছাদের ইঁদুর। তবে বিভিন্ন পরিবেশে আরো নানা প্রজাতির ইঁদুর দেখা যায়। সর্বভুক প্রাণী হওয়ায় এরা শস্যদানা, চাল, গম, ফলমূল, সবজি, খাদ্যবর্জ্য এমনকি পচা জৈব পদার্থও খেয়ে বেঁচে থাকতে পারে। খাদ্য সংকটে কাগজসহ অন্যান্য নরম বস্তু কুটে খাওয়ার ঘটনাও অস্বাভাবিক নয়। ফলে অপরিচ্ছন্ন ও বর্জ্যপূর্ণ পরিবেশে ইঁদুর দ্রুত বংশবিস্তার করে।
একসময় গ্রামাঞ্চলে কৃষকদের জন্য ইঁদুর ছিল বড় দুশ্চিন্তার কারণ। খেতের ধান থেকে শুরু করে বিভিন্ন শস্য রক্ষায় এর উপদ্রব ছিল দীর্ঘদিনের এক বড় চ্যালেঞ্জ। ফসল রক্ষায় তাই এসব প্রাণীর বিরুদ্ধে লড়াই করতে গিয়ে বাড়তি শ্রম দিতে হতো, পাশাপাশি বহন করতে হতো অতিরিক্ত ব্যয়ও। তবে সময়ের সঙ্গে পরিস্থিতিতে কিছুটা পরিবর্তন এসেছে। কীটনাশকের ব্যবহারের ফলে গ্রামাঞ্চলে ইঁদুরের উপদ্রব আগের তুলনায় কমেছে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা। এর বিপরীতে শহরাঞ্চলে, বিশেষ করে রাজধানীতে, ইঁদুরের উপস্থিতি ক্রমেই বাড়ছে। ঢাকার কাঁচাবাজার, আবর্জনার স্তূপ এবং আধুনিক আবাসিক ভবনেও এখন ইঁদুরের বিচরণ চোখে পড়ার মতো।
প্রাণী গবেষকদের মতে, নগরজীবনের অপরিকল্পিত বর্জ্য ব্যবস্থাপনা ও খাদ্যবর্জ্যের সহজলভ্যতা শহরে ইঁদুরের আধিপত্য বৃদ্ধি বা বংশবিস্তারকে ত্বরান্বিত করছে। পাশাপাশি প্লাস্টিকসহ নানা বর্জ্যে ভরাট হয়ে যাওয়া ড্রেন, নালা-নর্দমা ও খালগুলো পরিণত হয়েছে প্রাণীটির নিরাপদ আশ্রয়স্থলে। এছাড়া দ্রুত নগরায়ণের ফলে জলাভূমি ও খোলা জায়গা কমে যাওয়ায় ইঁদুর তাদের প্রাকৃতিক আবাসস্থল ছেড়ে শহরমুখী হয়েছে বলেও মনে করেন প্রাণী গবেষকরা। পাশাপাশি নগরজুড়ে চলমান নির্মাণকাজ এবং উচ্চ জনঘনত্বও এ সমস্যাকে আরো জটিল করে তুলেছে।
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রাণিবিদ্যা বিভাগের অধ্যাপক ড. নিয়ামুল নাসের বলেন, ‘ইঁদুর বেড়েছে এটা নিশ্চিত। রাজধানীর যেকোনো কাঁচাবাজার এলাকায় গেলেই দিনদুপুরে বড় বড় ইঁদুর দেখা যায়। হাতিরপুল, কারওয়ান বাজার ও শ্যামবাজারে গেলে তো প্রচুর দেখা মেলে।’
রাজধানীতে ইঁদুর বাড়ার পেছনে বর্জ্যই মূল কারণ জানিয়ে ড. নিয়ামুল নাসের বলেন, ‘যেকোনো প্রাণী বা কীটপতঙ্গের সংখ্যা বাড়ার একটি মৌলিক সূত্র রয়েছে—খাবারের প্রাপ্যতা যত বাড়ে, সেই প্রাণীর সংখ্যাও তত বাড়ে। রাজধানীতে ইঁদুরের অস্বাভাবিক বাড়ার পেছনেও কাজ করছে একই কারণ। নগরীর বিভিন্ন কাঁচাবাজার, রাস্তার পাশে ও আবাসিক এলাকায় জমে থাকা ময়লা-আবর্জনার স্তূপ, অব্যবস্থাপিত বর্জ্য এবং পড়ে থাকা শস্যবর্জ্য ইঁদুরের জন্য সহজলভ্য খাদ্য সরবরাহ করছে। ফলে স্বাভাবিকভাবেই প্রাণীটির দ্রুত বংশবিস্তার হচ্ছে। শুধু বাজার বা খোলা স্থানেই নয়, অন্য যেকোনো সময়ের তুলনায় ঢাকার বাসাবাড়িতেও ইঁদুরের উপস্থিতি বেড়েছে।’
সতর্ক করে তিনি বলেন, ‘এভাবে ইঁদুর বাড়তে থাকলে একসময় নগরীতে সাপের সংখ্যাও বাড়তে থাকবে। কারণ সাপের খাবার হলো ইঁদুর। তাই পরিচ্ছন্ন নগরী নিশ্চিত করতে না পারলে স্বাস্থ্যঝুঁকির পাশাপাশি জীবননাশী অন্যান্য পোকামাকড় ও প্রাণীও রাজধানীতে বাড়তে থাকবে।’
ভাইরাস বিশেষজ্ঞদের মতে, ইঁদুর বিভিন্ন রোগ-জীবাণুর বাহক। তাদের মল, মূত্র ও শরীরের সংস্পর্শের মাধ্যমে মানুষ আক্রান্ত হতে পারে নানা রোগে। সেই সঙ্গে খাদ্যদ্রব্য দূষিত হওয়া, পানির উৎস দূষণ এবং ঘরের পরিবেশ অস্বাস্থ্যকর হয়ে পড়া-সব মিলিয়ে এ ঝুঁকি বহুমাত্রিক। নগরীতে বর্জ্য ব্যবস্থাপনায় দুর্বলতা থাকলে ইঁদুরের পাশাপাশি মশা, মাছি ও অন্যান্য রোগবাহী প্রাণীর সংখ্যাও বেড়ে যায়, যা স্বাস্থ্য ব্যবস্থার ওপর অতিরিক্ত চাপ সৃষ্টি করে।
ইঁদুরের বর্ধিত উপস্থিতির সঙ্গে জনস্বাস্থ্যের ঝুঁকিও সরাসরি জড়িত- এমন সতর্কবার্তা দিয়েছেন ভাইরাস বিশেষজ্ঞরা। তাদের মতে, ইঁদুর থেকে হান্টা ভাইরাস ও লেপ্টোস্পাইরোসিসের মতো জীবননাশী রোগ ছড়িয়ে পড়তে পারে। পাশাপাশি পরোক্ষভাবে বাতজ্বর ও টাইফয়েডসহ বিভিন্ন রোগ-জীবাণু বিস্তারে প্রাণীটি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে।
ব্র্যাক বিশ্ববিদ্যালয়ের মাইক্রোবায়োলজি বিভাগের অধ্যাপক ড. মাহবুবুল হাসান সিদ্দিকী বলেন, ‘ইঁদুরের মাধ্যমে সাধারণত হান্টা ভাইরাস ছড়ায় এবং বাংলাদেশেও এ ভাইরাসের উপস্থিতি রয়েছে। তবে এর ভ্যারিয়েন্টটি তুলনামূলকভাবে কম শক্তিশালী। তা সত্ত্বেও ঝুঁকি একেবারে উড়িয়ে দেয়ার সুযোগ নেই। ইঁদুর শুধু ভাইরাসই নয়, বিভিন্ন ধরনের ব্যাকটেরিয়াও ছড়ায়। এর শরীর, লোম, মলমূত্র থেকে এসব জীবাণু সরাসরি বা বাতাসের মাধ্যমে মানুষের দেহে প্রবেশ করতে পারে, এমনকি খাদ্যদ্রব্যের মাধ্যমেও ছড়াতে পারে।’ উদাহরণ হিসেবে তিনি বলেন, ‘ইঁদুর সরাসরি টাইফয়েডের জীবাণু বহন না করলেও যদি কোনো খাদ্য বা বাসনপত্রের ওপর দিয়ে হাঁটে, তখন তার শরীরে থাকা জীবাণুটি সেসবের সঙ্গে লেগে যেতে পারে। এর ফলে মানুষ পরোক্ষভাবে সংক্রমিত হওয়ার ঝুঁকিতে পড়ে।’
ইঁদুরের পাশাপাশি ‘চিকা’ও জনস্বাস্থ্যের জন্য মারাত্মক ঝুঁকিপূর্ণ বলে জানান অধ্যাপক ড. মাহবুবুল হাসান সিদ্দিকী। এ বিষয়ে তিনি বলেন, ‘অনেকেই ইঁদুর ও চিকার মধ্যে পার্থক্য করতে পারেন না। অথচ চিকার কামড়ে জলাতঙ্ক (র্যাবিস) হতে পারে, যা চিকিৎসা না নিলে প্রায় নিশ্চিত মৃত্যুর কারণ হয়ে দাঁড়ায়। আমার মতে, হান্টা ভাইরাসের চেয়েও চিকার মাধ্যমে ছড়ানো র্যাবিস ভাইরাস বেশি ভয়ংকর।’
রাজধানীতে ইঁদুরের সংখ্যা বৃদ্ধি পাওয়া মানেই জনস্বাস্থ্যের ঝুঁকি বেড়ে যাওয়া- এমন সতর্কবার্তা দিয়েছেন জনস্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞরা। তাদের মতে, ইঁদুর সরাসরি সব সময় রোগ ছড়ায় না, তবে এর মাধ্যমে বিভিন্ন ক্ষতিকর জীবাণু সহজেই ছড়িয়ে পড়তে পারে।
এ প্রসঙ্গে জনস্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞ ডা. লেলিন চৌধুরী বলেন, ‘বাংলাদেশে ইঁদুর থেকে সরাসরি রোগ সংক্রমণের প্রবণতা তুলনামূলক কম। কিন্তু ইঁদুর সাধারণত পচা-গলা বর্জ্যের মধ্যে বসবাস করে। সেখান থেকে তারা পানিতে যায়, খাদ্যদ্রব্য বা বাসনপত্রে বসে। তখন ওই বর্জ্যে থাকা বিভিন্ন জীবাণু ইঁদুরের মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়তে পারে। তাই রাজধানীতে প্রাণীটি বেড়ে যাওয়া মানে জনস্বাস্থ্যের জন্য মারাত্মক ঝুঁকি বেড়ে যাচ্ছে।’
রাজধানীতে শুধু ইঁদুরই নয়, বর্জ্যের সঙ্গে সম্পর্কিত অন্যান্য কীটপতঙ্গ, বিশেষ করে মশা ও মাছির বিস্তারও বাড়ছে; যা নগরবাসীর স্বাস্থ্যের জন্য বড় ধরনের ঝুঁকি তৈরি করছে। অথচ ঢাকার দুই সিটি করপোরেশন বিজ্ঞানসম্মত বর্জ্য ব্যবস্থাপনা কার্যকরভাবে বাস্তবায়নে বেশ পিছিয়ে বলে জানান পরিবেশ বিশেষজ্ঞরা।
এ প্রসঙ্গে জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের পরিবেশবিজ্ঞান বিভাগের অধ্যাপক ফাহমিদা পারভীন বলেন, ‘বর্জ্য ব্যবস্থাপনার প্রথম ও প্রধান শর্ত হলো উৎস থেকেই বর্জ্য আলাদা করা। এরপর তা বাসাবাড়ি থেকে সংগ্রহ করে নির্ধারিত ল্যান্ডফিলে নিয়ে যাওয়া এবং পরে তা সম্পদে রূপান্তর করা। পৃথিবীর অনেক দেশেই এখন বর্জ্য বলে কিছু নেই, সবই সম্পদ হিসেবে ব্যবহৃত হয়। কিন্তু ঢাকায় মাছের আঁশ, শাকসবজির বর্জ্য, পুরনো কাপড়, এমনকি ওষুধের বোতল- সব একসঙ্গে সংগ্রহ করা হয়। অর্থাৎ সমস্যার শুরুটাই গোড়া থেকে।’
দ্রুত কার্যকর ও বিজ্ঞানসম্মত বর্জ্য ব্যবস্থাপনা নিশ্চিত করা না গেলে ইঁদুর ও মশা-মাছির মতো রোগবাহক প্রাণীর বিস্তার আরো বাড়বে বলে মনে করেন বিশেষজ্ঞরা। নগরবাসীর জন্য যা দীর্ঘমেয়াদি স্বাস্থ্যঝুঁকি বাড়াবে। ঢাকার দুই সিটি করপোরেশনের কর্মকর্তারা অবশ্য দাবি করেন, বর্জ্য ব্যবস্থাপনা উন্নত করতে নতুন উদ্যোগ নেয়া হয়েছে। নিয়মিত পরিচ্ছন্নতা অভিযান, আধুনিক ডাস্টবিন স্থাপন এবং সচেতনতা কার্যক্রম চালানোর কথাও জানান তারা। তবে নগরবাসীর সহযোগিতা ছাড়া সমস্যার স্থায়ী সমাধান সম্ভব নয় বলে মন্তব্য করেন সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা।
ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের (ডিএসসিসি) প্রধান বর্জ্য ব্যবস্থাপনা কর্মকর্তা এয়ার কমোডর মো. মাহাবুবুর রহমান তালুকদার বলেন, ‘উৎস থেকে বর্জ্য আলাদা করে সংগ্রহ করাই সঠিক পদ্ধতি, কিন্তু আমরা এক্ষেত্রে এখনো পিছিয়ে আছি। তবে নগরবাসীর সম্পৃক্ততা বাড়িয়ে বাস্তবসম্মত উদ্যোগ নেয়ার পরিকল্পনা করা হয়েছে। প্রাথমিকভাবে কিছু ওয়ার্ডে পরীক্ষামূলকভাবে উৎসভিত্তিক বর্জ্য পৃথককরণ কার্যক্রম শুরু করা হবে, যা ধীরে ধীরে পুরো নগরীতে সম্প্রসারণের লক্ষ্য রয়েছে।’
সৌজন্যে- বণিক বার্তা।
