রাবির আবাসিক হলে ‘কচ্ছপ’ গতির ইন্টারনেট

রাবি প্রতিনিধি

রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের (রাবি) আবাসিক হলগুলোতে ইন্টারনেটের গতি নেই বললেই চলে। এতে ভোগান্তিতে পড়েছেন শিক্ষার্থীরা। এ বিষয়ে প্রশাসন কার্যকরী কোনো পদক্ষেপ না নেওয়ায় ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন তারা।

শিক্ষার্থীদের অভিযোগ, হলগুলোতে ইন্টারনেটের এই সমস্যা নতুন কিছু নয়। প্রতিনিয়তই এই ভোগান্তি পোহাতে হয়। হলে প্রয়োজনীয় কাজ করা যায় না। প্রশাসনকে প্রতিনিয়ত জানানো হলেও কার্যকরী কোনো পদক্ষেপ নেই। ফলে বাধ্য হয়ে ডেটা কিনে কাজ করতে হয়। অথচ প্রতি বছর ইন্টারনেট ফি দিতে হয়।

শহিদ হবিবুর রহমান হলের আবাসিক শিক্ষার্থী আশিকুর রহমান বলেন, ‘হলে ইন্টারনেট যেন কচ্ছপ গতিতে চলে। গতি তো নেই, একটু পর পর ইন্টারনেট সংযোগও বিচ্ছিন্ন হয়ে যায়।’
প্রাধ্যক্ষ পরিষদের আহ্বায়ক অধ্যাপক জাহাঙ্গীর হোসেন জানান, ইন্টারনেট সেবার বিষয়টি বিশ্ববিদ্যালয়ের আইসিটি সেন্টার নিয়ন্ত্রণ করে। যেকোনো সমস্যার সমাধান সেখানেই হয়। তবে শিক্ষার্থীরা প্রতিনিয়তই ইন্টারনেট ধীর গতির অভিযোগ জানাচ্ছেন। বিষয়টি সমাধানে কার্যকরী পদক্ষেপ নিতে আইসিটি সেন্টারকে অবহিত করা হচ্ছে।

খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, বিশ্ববিদ্যালয়ের আবাসিক হলগুলোতে ইন্টারনেট সমস্যা দীর্ঘদিনের। এ সমস্যা সমাধানে হলগুলোতে ব্রডব্যান্ড সংযোগের সিদ্ধান্তও হয়। তবে বিভিন্ন কারণে ৩টা হল এই সুবিধার আওতায় আসলেও অন্য হলে এই কাজ বন্ধ থাকে। ফলে ভোগান্তি থেকেই যায়। বিষয়টি সমাধানে বিভিন্ন সময় অভিযোগ তোলেন শিক্ষার্থীরা। তবে শিগগির বাকি হলগুলোতেও এ কার্যক্রম শুরু হবে বলে জানা গেছে।

বিশ্ববিদ্যালয় সূত্রে জানা গেছে, ইন্টারনেট এবং সংযোগ ও রক্ষণাবেক্ষণ ফি বাবদ প্রত্যেক শিক্ষার্থীর কাছ থেকে বছরে ৪৫০ টাকা নেয় বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন। বিশ্ববিদ্যালয়ের আবাসিক হলে বর্তমান শিক্ষার্থী প্রায় ১০ হাজার।

এ ব্যাপারে বিশ্ববিদ্যালয়ের আইসিটি সেন্টার পরিচালক অধ্যাপক খাদেমুল ইসলাম মোল্লার সঙ্গে গত দুই দিন যাবৎ ফোনে এবং সাক্ষাতে যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তা সম্ভব হয়নি।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Verified by MonsterInsights