সত্যি কী যুদ্ধবিরতিতে যাচ্ছে হামাস-ইসরায়েল?

অনলাইন ডেস্ক

যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট জো বাইডেন জানিয়েছেন, পবিত্র রমজান মাসে ফিলিস্তিনের গাজা উপত্যকায় হামলা বন্ধ রাখতে সম্মত হয়েছে দখলদার ইসরায়েল। গাজার সশস্ত্র গোষ্ঠী হামাস ও ইসরায়েলের মধ্যে নতুন একটি যুদ্ধবিরতির সম্ভাবনা তৈরি হয়েছে। বর্তমানে এই চুক্তিটি পর্যালোচনা করছে হামাস।

তবে আগেরবার যুদ্ধবিরতির মধ্যস্থতাকারী কাতার যুদ্ধবিরতি হচ্ছে কিনা তা নিয়ে কোনো মন্তব্য করতে পারেনি।

ইসরায়েলের স্থানীয় গণমাধ্যমের খবর অনুসারে, ইসরায়েল ও ফিলিস্তিনি সশস্ত্র গোষ্ঠী হামাসের মধ্যে আগামী সপ্তাহে যুদ্ধবিরতিতে সম্মত হতে পারে বলে মার্কিন প্রেসিডেন্ট জো বাইডেন যে মন্তব্য করেছেন সে বিষয়ে কাতার কোনো মন্তব্য করতে পারছে না দেশটির পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের এক মুখপাত্র এই তথ্য জানিয়েছেন।
মাজেদ আল-আনসারি এক সংবাদ সম্মেলনে বলেন, যুদ্ধবিরতি ও জিম্মি চুক্তির বিষয়ে ঘোষণা করার মতো কোনো অগ্রগতি নেই। তবে প্যারিসে স্বাক্ষরিত চুক্তি ইসরায়েল ও হামাস যাতে মেনে নেয় তার জন্য কাতার ‘কঠোর প্রচেষ্টা’ চালাচ্ছে।
তিনি বলেন, গাজার মধ্যস্থতা আলোচনায় কাতার আশাবাদী।

এ সপ্তাহের শুরুতে ফ্রান্সের রাজধানী প্যারিসে হামাস-ইসরায়েল যুদ্ধবিরতির চুক্তির একটি কাঠামো তৈরি করা হয়। এর সঙ্গে সংশ্লিষ্ট এক ব্যক্তি বার্তাসংস্থা রয়টার্সকে জানিয়েছেন, চুক্তি অনুযায়ী, গাজার হাসপাতাল ও বেকারিগুলো পুনর্গঠিত করতে দেবে ইসরায়েল। এছাড়া সাধারণ মানুষের জন্য প্রতিদিন সেখানে ৫০০টি ত্রাণবাহী ট্রাক প্রবেশ করবে।

গত বছরের অক্টোবরে এই যুদ্ধ শুরু হয়। এরপর নভেম্বরের শেষ দিকে দুই পক্ষ এক সপ্তাহের যুদ্ধবিরতি পালন করে। এরপর আবারও ইসরায়েলিদের বর্বরতা শুরু হয়। ওই যুদ্ধবিরতির পর গত সপ্তাহ থেকে নতুন যুদ্ধবিরতির জন্য সবচেয়ে বেশি চেষ্টা চলছে।

আগামী ১০ মার্চ মধ্যপ্রাচ্যে পবিত্র রমজান মাস শুরু হতে পারে। আর শেষ হতে পারে ৯ এপ্রিল।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Verified by MonsterInsights