সরকারি কর্মকর্তাদের কেন আমরা জবাবদিহির আওতায় আনছি না: ডেপুটি স্পিকার
অনলাইন ডেস্ক
জাতীয় সংসদের ডেপুটি স্পিকার ব্যারিস্টার কায়সার কামাল বলেছেন, ‘সরকারি কর্মকর্তা, তাদেরকে কেন আমরা জবাবদিহির আওতায় আনছি না? সব সময় আমরা রাজনৈতিক নেতৃত্ব অথবা মন্ত্রীদেরকে জবাবদিহিতার আওতায় আনি। অফকোর্স, দে আর পাবলিক রিপ্রেজেন্টেটিভ, দে আর একাউন্টেবল টু দ্য পাবলিক। এট দ্য সেম টাইম, এক্সিকিউটিভে যারা চাকরি করেন, তারা তো আমার, আপনার, আমাদের ট্যাক্সের টাকায় বেতনটা পান। তাদেরকে কেন আমরা জবাবদিহিতার আওতায় আনি না?’
রবিবার রাজধানীর কেআইবি (কৃষিবিদ ইনস্টিটিউশন বাংলাদেশ) মিলনায়তনে ‘শিশুশ্রম নিরসনে করণীয়’ শীর্ষক এক সংলাপে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।
ডেপুটি স্পিকার বলেন, ‘একজন সংসদ সদস্যের দায়িত্ব কী? তিনি যতগুলা ডিপার্টমেন্ট আছে তদারকি করবেন। বাট সোলোলি রেসপন্সিবল হচ্ছে কে? যিনি সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তা আছেন। একজন এমপি হয়ত পাঁচ বছরের জন্য নির্বাচিত হন। টেম্পোরারি একাউন্টেবিলিটি তার মধ্যে। এজ এ পলিটিক্যাল এক্টিভিস্ট, পার্মানেন্ট একাউন্টেবিলিটি। বাট এমপি হিসেবে বা মন্ত্রী হিসেবে উনার হচ্ছে টেম্পোরারিলি তিনি পাঁচ বছরের জন্য একাউন্টেবল। বাট সরকারের, প্রজাতন্ত্রের একজন কর্মকর্তা বা কর্মচারী, তার চাকরি জীবনের প্রতি দিনের জন্য একাউন্টেবল। আমরা তাদেরকে কতটুকু একাউন্টেবিলিটির মধ্যে নিই?’
বর্তমান সরকারের প্রধান নির্বাহীর মানবিক উদ্যোগের প্রশংসা করে ব্যারিস্টার কায়সার কামাল বলেন, ‘প্রধানমন্ত্রী পথশিশুদের দাওয়াত দিয়ে খাইয়েছেন। পথশিশুরাও যে একটি সুন্দর জীবনের দাবিদার তিনি সেটি অনুধাবন করতে পেরেছেন। হয়তো তিনি একটি পরিসংখ্যান নিচ্ছেন এবং পর্যায়ক্রমে তাদের রাস্তা থেকে ঘরে ফেরানোর পরিকল্পনা করছেন। আমরা বাংলাদেশে একজন মানবিক প্রধানমন্ত্রী পেয়েছি। ছোট ছোট এসব মানবিক উদ্যোগকে যেন আমরা রাজনীতিকরণ না করি সেই অনুরোধ জানাই।’
জুলাই অভ্যুত্থানে শিশুদের আত্মত্যাগের কথা স্মরণ করে ডেপুটি স্পিকার বলেন, ‘জাতিসংঘের হিসাব মতে জুলাই আপরাইজিংয়ে প্রায় ১৪০০ মানুষকে হত্যা করা হয়েছে। এর মধ্যে ১২ থেকে ১৩ শতাংশই শিশু। সমাজের সবচেয়ে দুর্বল অংশ হওয়ায় শিশুরাই সবসময় বেশি ভিকটিম হয়। আজ শিশু ধর্ষণের মতো ঘটনা সামাজিক ব্যাধিতে পরিণত হয়েছে। এখান থেকে উত্তরণে সর্বাগ্রে গণসচেতনতা প্রয়োজন।’
