সাগরে জেলের জালে ধরা পড়লো বিরল প্রজাতির চারটি ‘টিয়া মাছ’

কলাপাড়া (পটুয়াখালী) প্রতিনিধি
কুয়াকাটা সংলগ্ন বঙ্গোপসাগরে জেলের জালে ধরা পড়লো বিরল প্রজাতির চারটি মাছ। যা স্থানীয়ভবে টিয়া মাছ বা প্যারট মাছ হিসেবে পরিচিত। মাছগুলো নীল-সবুজ রঙের এবং মুখের আকৃতি টিয়া পাখির ঠোঁটের মত। মাছ চারটির ওজন পাঁচ কেজি।

আবু সালেক নামের এক জেলের জালে পায়রা বন্দরের শেষ বয়া বঙ্গোপসাগরে এ মাছগুলো ধরা পড়ে।

বৃহস্পতিবার বেলা ১১টার দিকে অন্যান্য মাছের সঙ্গে ওই চারটি মাছ আলীপুর মৎস্য অবতরণ কেন্দ্রে নিয়ে আসেন আবু সালেক। মাছগুলো দেখতে ওই আড়তে ভিড় কলাপাড়া (পটুয়াখালী) প্রতিনিধি
অনলাইন ভার্সন
সাগরে জেলের জালে ধরা পড়লো বিরল প্রজাতির চারটি ‘টিয়া মাছ’

কুয়াকাটা সংলগ্ন বঙ্গোপসাগরে জেলের জালে ধরা পড়লো বিরল প্রজাতির চারটি মাছ। যা স্থানীয়ভবে টিয়া মাছ বা প্যারট মাছ হিসেবে পরিচিত। মাছগুলো নীল-সবুজ রঙের এবং মুখের আকৃতি টিয়া পাখির ঠোঁটের মত। মাছ চারটির ওজন পাঁচ কেজি।

আবু সালেক নামের এক জেলের জালে পায়রা বন্দরের শেষ বয়া বঙ্গোপসাগরে এ মাছগুলো ধরা পড়ে।

বৃহস্পতিবার বেলা ১১টার দিকে অন্যান্য মাছের সঙ্গে ওই চারটি মাছ আলীপুর মৎস্য অবতরণ কেন্দ্রে নিয়ে আসেন আবু সালেক। মাছগুলো দেখতে ওই আড়তে ভিড় করেন উৎসুক জনতা। পরে ৫০০ টাকা কেজি দরে নিলামের মাধ্যমে অন্যসব মাছের সঙ্গে বিক্রি করে দেয়া হয় বলে স্থানীয় জেলেরা জানান।

জেলে আবু সালেক বলেন, বুধবার রাত ১২টার পরই সাগরে গিয়ে জাল ফেলেন। পরে ইলিশ এবং পোয়াসহ অনন্য মাছের সঙ্গে মাছ চারটি ধরা পড়ে। এই প্রথমবার এ ধরনে মাছ ধরা পড়েছে। তবে তিনি মাছগুলো অন্য মাছের সঙ্গে নিলামে বিক্রি করেছেন।

সিনিয়র উপজেলা মৎস্য কর্মকর্তা অপু সাহা বলেন, মাছগুলো সচরাচার বাংলাদেশে দেখা যায় না। স্থানীয়ভাবে মাছ গুলোকে টিয়া বলা হলেও এর বৈজ্ঞানিক নাম স্কারাস জুফার। এ প্রজাতির প্যারট মাছ নীল-সবুজ রঙের এবং ৫২ সেন্টিমিটার পর্যন্ত বৃদ্ধি পায়। করেন উৎসুক জনতা। পরে ৫০০ টাকা কেজি দরে নিলামের মাধ্যমে অন্যসব মাছের সঙ্গে বিক্রি করে দেয়া হয় বলে স্থানীয় জেলেরা জানান।

জেলে আবু সালেক বলেন, বুধবার রাত ১২টার পরই সাগরে গিয়ে জাল ফেলেন। পরে ইলিশ এবং পোয়াসহ অনন্য মাছের সঙ্গে মাছ চারটি ধরা পড়ে। এই প্রথমবার এ ধরনে মাছ ধরা পড়েছে। তবে তিনি মাছগুলো অন্য মাছের সঙ্গে নিলামে বিক্রি করেছেন।

সিনিয়র উপজেলা মৎস্য কর্মকর্তা অপু সাহা বলেন, মাছগুলো সচরাচার বাংলাদেশে দেখা যায় না। স্থানীয়ভাবে মাছ গুলোকে টিয়া বলা হলেও এর বৈজ্ঞানিক নাম স্কারাস জুফার। এ প্রজাতির প্যারট মাছ নীল-সবুজ রঙের এবং ৫২ সেন্টিমিটার পর্যন্ত বৃদ্ধি পায়।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Verified by MonsterInsights