সুন্দরবনে ৭০ কেজি হরিণের মাংস উদ্ধার
নিজস্ব প্রতিবেদক, খুলনা
নিষিদ্ধ সময়ে সিন্ডিকেটের মাধ্যমে সুন্দরবনে ঢুকছে চোরা শিকারিরা। নির্বিচারে বিষ দিয়ে চলে মাছ ও কাঁকড়া শিকার। বনের মধ্যে ফাঁদ পেতে হরিণ শিকার করে মাংস প্রস্তুত করা হয়। তারপর সেই মাংস বাজারে এনে কেজি দরে বিক্রি করা হয়। রবিবার রাতে সুন্দরবনসংলগ্ন শাকবাড়িয়া নদীসংলগ্ন এলাকায় অভিযান চালিয়ে ৭০ কেজি হরিণের মাংস উদ্ধার করে বন বিভাগ। তবে এ সময় শিকারি বা পাচারকারী কাউকে আটক করা যায়নি। কয়রার কাশিয়াবাদ স্টেশন কর্মকর্তা মো. নাসির উদ্দীন জানান, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে বনরক্ষীরা শাকবাড়িয়া নদীর চরে অবস্থান নেন। সুন্দরবন থেকে হরিণ শিকার করে লোকালয়ে আনার পথে তা আটক করা হয়। তবে বন বিভাগের উপস্থিতি টের পেয়ে শিকারিরা নৌকা ফেলে পালিয়ে যায়। ঘটনাস্থল থেকে ৭০ কেজি হরিণের মাংস, হরিণের দুটি মাথা, একটি নৌকা ও শিকারে সরঞ্জামাদি জব্দ করা হয়। এ ঘটনায় বন্যপ্রাণী (সংরক্ষণ ও নিরাপত্তা) আইনে মামলা হয়েছে। জব্দকৃত মাংস আদালতের অনুমতিক্রমে কয়রা সিনিয়র জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালত প্রাঙ্গণে মাটিতে পুঁতে বিনষ্ট করা হয়। স্থানীয়রা জানায়, প্রতি বছর ১ জুন থেকে ৩১ আগস্ট পর্যন্ত বনে জেলে বাওয়ালি পর্যটকসহ সব ধরনের প্রবেশ নিষিদ্ধ করা হয়। কিন্তু সিন্ডিকেটের মাধ্যমে চোরা শিকারিরা এ সময় বনে ঢুকে বন্যপ্রাণী শিকার করে। হরিণ শিকারে জড়িত মূল হোতা শনাক্ত করে আইনের আওতায় আনার দাবি জানানো হয়।
