১০০০টিরও বেশি ইনজেকশন নিয়েছি: তেজস্বিনী

অনলাইন ডেস্ক

ইন-ভিট্রো ফার্টিলাইজেশন (আইভিএফ) চিকিৎসার মাধ্যমে সন্তান ধারণের প্রক্রিয়াটি যে শারীরিক ও মানসিকভাবে কতটা বেদনাদায়ক হতে পারে, তা নিয়ে সম্প্রতি মুখ খুলেছেন বলিউড অভিনেত্রী ও সাবেক মডেল তেজস্বিনী কোলহাপুরে। প্রখ্যাত অভিনেত্রী পদ্মিনী কোলহাপুরের ছোট বোন তেজস্বিনী সিদ্ধার্থ কান্নানের একটি পডকাস্টে এসে নিজের জীবনের এই কঠিন লড়াইয়ের দিনগুলোর অভিজ্ঞতা শেয়ার করেছেন।

তেজস্বিনী জানান, মা হওয়ার জন্য তাকে মোট পাঁচবার আইভিএফ প্রক্রিয়ার মধ্য দিয়ে যেতে হয়েছে। এই দীর্ঘ যাত্রায় তিনি প্রায় ১হাজারটিরও বেশি ইনজেকশন নিয়েছেন। দুটি গর্ভপাতের নির্মম অভিজ্ঞতার মুখোমুখি হয়েছেন তিনি। এ বিষয়ে স্পষ্টভাবেই বলেন, এই প্রক্রিয়াটি শারীরিক ও মানসিকভাবে একজন মানুষকে পুরোপুরি বদলে দেয়। প্রথম কয়েকবার এই প্রক্রিয়ার মধ্য দিয়ে যাওয়া অত্যন্ত কষ্টকর হলেও সময়ের সাথে সাথে মানসিকভাবে কঠিন হতে হয়। প্রতিদিন ক্লিনিকে যাওয়া এবং একের পর এক ইনজেকশন সহ্য করা যে কতটা যন্ত্রণাদায়ক, তা কেবল ভুক্তভোগীরাই উপলব্ধি করতে পারেন। আইভিএফের কারণে তার শারীরিক গঠনেও বেশ পরিবর্তন এসেছে বলে তিনি জানান।

পারিবারিক জীবন ও ক্যারিয়ারের নানামুখী ব্যস্ততার কারণে কিছুটা দেরিতে সন্তান নেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছিলেন তেজস্বিনী। নিজের অভিজ্ঞতা থেকে শিক্ষা নিয়ে তিনি অন্য নারীদের উদ্দেশ্যে পরামর্শ দেন, সম্ভব হলে ৩৫ বছর বয়সের আগেই যেন তারা সন্তান গ্রহণের চেষ্টা করেন। বারবার ব্যর্থতা এবং মানসিক ভাঙনের পর অবশেষে পঞ্চমবারে গিয়ে তিনি সফল হন।

উল্লেখ্য, বিশিষ্ট চিত্রনির্মাতা ও অভিনেতা পঙ্কজ সারস্বতের সাথে বিবাহবন্ধনে আবদ্ধ হওয়া তেজস্বিনী ২০১৫ সালের ৩০ জানুয়ারি কন্যা সন্তান বেদিকার জন্ম দেন। ‘মুঝে চাঁদ চাহিযে’ ধারাবাহিক দিয়ে ক্যারিয়ার শুরু করা তেজস্বিনী পাঁচ, ‘রাবণ’ এবং অগলি’-র মতো স্বাধীন ও আলোচিত সিনেমায় অভিনয় করে প্রশংসা কুড়িয়েছেন।

সূত্র: এনটিভি

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Verified by MonsterInsights