৭৮ লাখ রোগীর চক্ষু পরীক্ষা করেছে অরবিস
নিজস্ব প্রতিবেদক, চট্টগ্রাম
অরবিস ইন্টারন্যাশনালের সহযোগী পরিচালক (গ্লোবাল কমিউনিকেশনস অ্যান্ড মার্কেটিং) জেনা মন্টগোমারি বলেছেন, বাংলাদেশে অরবিস ৩৯ বছর ধরে বাংলাদেশের স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয়ের সঙ্গে কাজ করছে। এই চার দশকে অরবিস শিশুদের চক্ষু চিকিৎসা, মাইক্রোসার্জারি, রেটিনা সার্জারি, কর্নিয়াল রোগ এবং আই ব্যাংকিং, প্রিম্যাচিউর শিশুদের রেটিনোপ্যাথি (আরওপি) এবং ডায়াবেটিক রেটিনোপ্যাথির ওপর স্থানীয় চিকিৎসকদের দক্ষতা ও জ্ঞান উন্নত করতে সহায়তা করেছে। অরবিস এখন পর্যন্ত বাংলাদেশে ৭৮ লাখেরও বেশি রোগীর চক্ষু পরীক্ষা পরিচালনা, ৪৫ লাখেরও বেশি প্রাপ্তবয়স্ক ও শিশুর চিকিৎসা ও অপটিক্যাল সেবা প্রদান, ২ লাখ ৫৮ হাজারটিরও বেশি চক্ষু সার্জারিতে সহায়তা করেছে এবং ৪০ হাজারের বেশি মানুষকে চক্ষু চিকিৎসার ওপর প্রশিক্ষণ দিয়েছে। গতকাল চট্টগ্রাম শাহ আমানত বিমানবন্দরে অবস্থানরত বাংলাদেশে ১১তম বার ও চট্টগ্রামে পঞ্চমবারের মতো আসা অরবিস ফ্লাইং আই হসপিটালের সেমিনার কক্ষে এক ব্রিফিংয়ে তিনি এসব কথা বলেন। জেনা মন্টগোমারি বলেন, অরবিস ৪২টি ভিশন সেন্টার প্রতিষ্ঠা করেছে, যা দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে, বিশেষ করে গ্রামীণ এলাকাগুলোতে চক্ষু সেবা ছড়িয়ে দিয়েছে।
অরবিস ১৭টি মাধ্যমিক হাসপাতাল, ৪টি তৃতীয় পর্যায়ের হাসপাতাল, ৪টি ট্রেনিং অ্যান্ড রিসোর্স সেন্টার এবং ২টি ডিজিটাল প্রশিক্ষণ কেন্দ্র প্রতিষ্ঠা বা উন্নত করতে সহায়তা করেছে।
তিনি বলেন, অরবিস বাংলাদেশের ৪০০টি কমিউনিটি ক্লিনিককে দৃষ্টিশক্তি পরীক্ষার সরঞ্জাম দিয়ে সহযোগিতা করেছে। ২০০০ সালে অরবিস বাংলাদেশে দীর্ঘমেয়াদি প্রোগ্রাম চালু করে এবং স্থানীয় চক্ষু হাসপাতাল ও এনজিওদের সঙ্গে মিলে চক্ষুরোগ প্রতিরোধ ও দৃষ্টিশক্তি পুনরুদ্ধারের জন্য কাজ করে, যা দূরবর্তী এলাকায় যেমন কক্সবাজারের রোহিঙ্গা সম্প্রদায় এবং সিলেটের নারী চা শ্রমিকদের কাছেও পৌঁছে গেছে।
