বন্ধন এক্সপ্রেসের ধাক্কায় ভারতীয় তরুণীর মৃত্যু
দীপক দেবনাথ, কলকাতা
রেললাইন পারাপারের সময় কলকাতা-খুলনাগামী বন্ধন এক্সপ্রেসের ধাক্কায় এক ভারতীয় তরুণী নিহত হয়েছেন।
স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, শর্মিলা প্রামাণিক নামে ২৭ বছর বয়সী ওই তরুণী পশ্চিমবঙ্গে উত্তর২৪ পরগনা জেলার চাঁদপাড়ার ঢাকুরিয়া বাদামতলা এলাকার বাসিন্দা ছিলেন।
বৃহস্পতিবার সকালে বন্ধন এক্সপ্রেস কলকাতা থেকে বাংলাদেশের খুলনার উদ্দেশে যাত্রা শুরু করে। এদিন সকাল ৭টা ১০ মিনিটে কলকাতার চিৎপুর থেকে ট্রেনটি ছাড়ে। দুপুর সাড়ে ১২টা নাগাদ সেটি খুলনায় পৌঁছানোর কথা ছিল। কিন্তু তার আগে সকাল ৮টা ৩০ মিনিট নাগাদ ঠাকুরনগর (পূর্ব রেলের শিয়ালদহ- বনগাঁও সেকশন) স্টেশন সংলগ্ন এলাকায় ওই দুর্ঘটনা ঘটে।
জানা গেছে, ওই তরুণী একটি প্যাথলজি ল্যাবে রক্ত সংগ্রহের কাজ করতেন। ট্রেন থেকে নেমে রেললাইন পার হয়ে কাজের উদ্দেশে যাচ্ছিলেন তিনি। কানে হেডফোন ছিল বলে ট্রেনের আওয়াজ শুনতে পাননি বলেই মনে করা হচ্ছে। ফলে ট্রেনের ধাক্কায় ঘটনাস্থলে মৃত্যু হয় তার।
দুর্ঘটনার খবর পেয়েই ঘটনাস্থলে ছুটে আসেন নিহত ওই তরুণীর আত্মীয়-স্বজন ও পরিজনেরা। তারাই প্রাথমিকভাবে লাস্টটিকে শনাক্ত করেন। পাশাপাশি গভর্নমেন্ট রেলওয়ে পুলিশ (জিআরপি) ও রেলের শীর্ষ কর্মকর্তারাও ঘটনাস্থলে পৌঁছান। পরে নিহত ওই তরুণীর লাশ উদ্ধার করে নিয়ে যায় রেলওয়ে পুলিশ।
নিহত শর্মিলার আত্মীয় রমা বিশ্বাস বলেন, ‘ট্রেন দুর্ঘটনায় মৃত তরুণী আমার আত্মীয় হয়। দুর্ঘটনার খবর পেয়েই আমি রেললাইনের ছুটে আসি। সকাল সাড়ে ৮টা নাগাদ দুর্ঘটনা ঘটে। পরে রেলের কর্মকর্তারা এসে প্লাস্টিকে বেঁধে লাশটিকে নিয়ে যায়।’
তিনি জানান, রেললাইন পার হতে গিয়েই দুর্ঘটনাটি ঘটে। ওই তরুণী স্থানীয় ঘোষ ফার্মেসিতে রক্ত সংগ্রহের কাজ করতেন। এদিন সকালে সেখানেই কাজের উদ্দেশ্যে যাচ্ছিলেন।
