আওয়ামী লীগ-জাপার দুর্গম পথ

নিজস্ব প্রতিবেদক, রংপুর
রংপুরে জেলা ও মহানগর আওয়ামী লীগ এবং জেলা জাতীয় পার্টিকে দ্বাদশ সংসদ নির্বাচনের দুর্গম পথ পাড়ি দিতে হবে আহ্বায়ক কমিটি দিয়ে। রংপুরের ছয়টি আসনের মধ্যে চারটিতে স্বতন্ত্রের আড়ালে বিদ্রোহী প্রার্থী রয়েছেন। তাই আহ্বায়ক কমিটি নির্বাচনে কতটুকু ভূমিকা রাখবে এ নিয়ে চলছে আলোচনা। রংপুরের ছয়টি আসনে আওয়ামী লীগ ও জাতীয় পার্টি প্রার্থী চূড়ান্ত করেছে। আওয়ামী লীগ থেকে যাঁরা মনোনয়ন পেয়েছেন তাঁরা হলেন রংপুর-১ অ্যাডভোকেট রেজাউল করিম রাজু, রংপুর-২ (তারাগঞ্জ-বদরগঞ্জ) মোহাম্মদ আবুল কালাম আহসানুল হক ডিউক চৌধুরী, রংপুর-৩ (সদর) তুষারকান্তি মন্ডল, রংপুর-৪ (কাউনিয়া-পীরগাছা) টিপু মুনশি, রংপুর-৫ (মিঠাপুকুর) রাশেক রহমান ও রংপুর-৬ (পীরগঞ্জ) আসনে শিরীন শারমিন চৌধুরী। অন্যদিকে জাতীয় পার্টি থেকে যাঁরা মনোনয়ন পেয়েছেন তাঁরা হলেন রংপুর-১ এইচ এম শাহরিয়ার আসিফ, রংপুর-২ আনিসুল ইসলাম মন্ডল, রংপুর-৩ গোলাম মোহাম্মদ কাদের, রংপুর-৪ মোস্তফা সেলিম বেঙ্গল, রংপুর-৫ মো. আনিছুর রহমান ও রংপুর-৬ আসনে মো. নূর আলম মিয়া। এ ছাড়া গঙ্গাচড়া, বদরগঞ্জ, মিঠাপুকুর, পীরগঞ্জে রয়েছে আওয়ামী লীগের স্বতন্ত্র প্রার্থী। স্বতন্ত্র হলেও ওইসব প্রার্থীর নিজস্ব ভোটব্যাংক রয়েছে। ফলে নৌকার প্রার্থীকে বিজয়ী হতে কিছুটা বেগ পেতে হবে। তবে এ ক্ষেত্রে বড় ভূমিকা রাখতে পারেন কমিটির নেতারা। রংপুরে আওয়ামী লীগের জেলা ও মহানগর এবং জাতীয় পার্টির কমিটি নেই। দল চলছে আহ্বায়ক কমিটি দিয়ে।প্রসঙ্গত, গত বছরের ডিসেম্বরে রংপুর সিটি করপোরেশন নির্বাচনে আওয়ামী লীগের প্রার্থী বিপুল ভোটের ব্যবধানে হেরে যাওয়ার পর নেতা-কর্মীদের মাঝে নানান প্রশ্ন দেখা দেয়। এর পরিপ্রেক্ষিতে কেন্দ্র থেকে জেলা ও মহানগর আওয়ামী লীগের কমিটি বিলুপ্ত করে আহ্বায়ক ও যুগ্ম আহ্বায়কের নাম ঘোষণা করতে হয়। নতুন আহ্বায়ক করা হয় মহানগরে ডা. দেলোয়ার হোসেনকে এবং জেলায় এ কে এম ছায়াদত হোসেন বকুলকে। জেলা যুগ্ম আহ্বায়কের দায়িত্ব পান অধ্যাপক মাজেদ আলী বাবলু এবং মহানগরে যুগ্ম আহ্বায়ক করা হয় আবুল কাশেমকে। পরে আহ্বায়ক কমিটির পরিধি বাড়ানো হয়। এদিকে মহানগর জাতীয় পার্টির পূর্ণাঙ্গ কমিটি থাকলেও জেলা কমিটি চলছে আহ্বায়ক কমিটি দিয়ে।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Verified by MonsterInsights