রংপুরে তিন বছরে ভিজিএফ চালের বরাদ্দ কমেছে এক লাখ ৩৬ হাজার
নিজস্ব প্রতিবেদক, রংপুর
আর ক’দিন পরে ঈদুল ফিতর। প্রতি ঈদে নিম্ন আয়ের দরিদ্র মানুষের ভরসা ভিজিএফ’র চাল। তিন বছর আগে রংপুর জেলায় বরাদ্দ ছিল ৪ লাখ ২২ হাজার ৯১৫ জনের। এবার বরাদ্দ কমে এসে দাঁড়িয়েছে ২ লাখ ৮৬ হাজার জনের। তিন বছরের ব্যবধানে বরাদ্দ কমেছে এক লাখ ৩৬ হাজার জনের। রংপুরের ৮ উপজেলা ও ৩ পৌরসভায় ভিজিএফের এই চালের বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে।
অপরদিকে, রংপুর সিটি করপোরেশনের হত দরিদ্রদের জন্য ভিজিএফ’র কোনো প্রকার বরাদ্দ আসেনি। সিটিতে ভিজিএফ চাল না আসায় সিটির হতদরিদ্র দেড় লাখ মানুষ হতাশ।
জেলা ত্রাণ ও পুনর্বাসন অফিস সূত্রে জানা গেছে, এবার ঈদুল ফিতরে রংপুরের ৮ উপজেলায় ২ লাখ ৮৬ হাজার ৩৪৬ জনের বরাদ্দ এসেছে। এর মধ্যে বদরগঞ্জ, পীরগঞ্জ ও হারাগাছ এই ৩টি পৌরসভায় ভিজিএফ চাল বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে ৭ হাজার ৭০২ জনের। ভিজিএফ কার্ডধারী পরিবারের মাঝে ১০ কেজি করে এই চাল বিতরণ করা হবে।
ত্রাণ অফিস সূত্র মতে, ভিজিএফের চাল জেলা অফিসে এসেছে। এই চাল উপজেলা ও পৌরসভা পর্যায়ে পাঠানা হচ্ছে। বিতরণ শুরু হয়েছে। ঈদের আগেই এই চাল বিতরণ শেষ হবে।
এদিকে সিটি করপোরেশনে ভিজিএফ’র চালের বরাদ্দের নিয়ম উঠে যাওয়ায় হতদরিদ্র পরিবারগুলো হতাশ। সিটি করপোরেশনের একধিক দরিদ্র মানুষের সাথে কথা হলে তারা জানান, আশা ছিল ঈদের আগে ভিজিএফ’র চাল পাবেন কিন্তু সে আশা এখন তাদের দুরাশা হয়ে গেছে। সিটিতে ভিজিএফ’র বিষয়ে সরকারিভাবে সিদ্ধান্ত নেওয়া উচিত বলে মনে করছেন রংপুরের সচেতন মহল।
জেলা পুনর্বাসন ও ত্রাণ কর্মকর্তা মোতাহার হোসেন জানান, ভিজিএফ চালের বরাদ্দ এসেছে। বিতরণ শুরু হয়েছে। সিটি করপোরেশন এলাকায় এখন পর্যন্ত ভিজিএফ’র কোনো বরাদ্দ আসেনি।
