বিশ্বকাপ ইতিহাসে অ্যাসিস্টের শীর্ষে ম্যারাডোনা-মেসি

স্পোর্টস ডেস্ক

বিশ্বকাপ ইতিহাসে অ্যাসিস্টের দিক থেকে লিওনেল মেসি ও দিয়েগো ম্যারাডোনা একই উচ্চতায় অবস্থান করছেন। পরিসংখ্যান বলছে, পাঁচটি বিশ্বকাপে ২৬টি ম্যাচ খেলে মেসির অ্যাসিস্ট সংখ্যা ৮টি। একইভাবে, চারটি বিশ্বকাপে ২১টি ম্যাচে অংশ নিয়ে ম্যারাডোনারও অ্যাসিস্টও ৮টি।

মেক্সিকোর আজতেক স্টেডিয়ামে ১৯৮৬ বিশ্বকাপ ফাইনাল আজও স্মরণীয়। সেদিন ০-২ পিছিয়ে থাকা আর্জেন্টিনা শেষ পর্যন্ত কার্ল-হাইনৎস রুমেনিগের জার্মানির সঙ্গে ২-২ সমতা ফেরালেও, ম্যারাডোনার নিখুঁত পাস থেকে বুরুচাগার গোলই আর্জেন্টিনাকে বিশ্বকাপ জয়ের পথে এগিয়ে দেয়।

অন্যদিকে, ২০২২ বিশ্বকাপে দোহায় লুসেইল স্টেডিয়ামে ক্রোয়েশিয়ার বিপক্ষে সেমিফাইনালে মেসির দুর্দান্ত অ্যাসিস্ট থেকে গোল করেন জুলিয়ান আলভারেজ। বিশ্বের শীর্ষ ডিফেন্ডারদের একজন জোস্কো গার্ডিওলকে কাটিয়ে তৈরি করা সেই সুযোগটি টুর্নামেন্টের অন্যতম সেরা অ্যাসিস্ট হিসেবে বিবেচিত হয়।

আধুনিক ফুটবলে শুধু গোলই নয়, অ্যাসিস্টও সমান গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠেছে। কোচিং স্টাফরা এখন ‘এক্সপেক্টেড অ্যাসিস্ট’ এর মতো পরিসংখ্যান ব্যবহার করে সম্ভাব্য গোলের সুযোগ বিশ্লেষণ করছেন এবং সেই অনুযায়ী কৌশল ও অনুশীলন সাজাচ্ছেন। বিশেষজ্ঞদের মতে, আসন্ন বিশ্বকাপে অ্যাসিস্ট ম্যাচের ফল নির্ধারণে বড় ভূমিকা রাখতে পারে।

বিশ্বকাপ ইতিহাসের পরিসংখ্যান বলছে, অ্যাসিস্টের ক্ষেত্রে মেসি ও মারাদোনার ধারেকাছে কেউ নেই। গোলের দিক থেকে মেসির ১৩টি এবং মারাদোনার ৮টি গোল থাকলেও, কিংবদন্তি পেলে চারটি বিশ্বকাপে অংশ নিয়ে ৬টি অ্যাসিস্ট করেছেন।

অন্যদিকে, সর্বকালের সেরা অ্যাসিস্টের তালিকায় ক্রিস্টিয়ানো রোনালদো, ববি মুর, ইয়োহান ক্রুইফ, মিশেল প্লাতিনি, ফ্রাঞ্জ বেকেনবাওয়ার কিংবা জিনেদিন জিদানের মতো কিংবদন্তিদের নাম শীর্ষে দেখা যায় না।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Verified by MonsterInsights