বসুন্ধরা শুভসংঘের ক্যারিয়ারবিষয়ক সেমিনার অনুষ্ঠিত
অনলাইন ডেস্ক
চাকরির ক্ষেত্রে একজন প্রার্থী কোন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান থেকে পড়াশোনা করেছেন, সেটিকে প্রাধান্য না দিয়ে তার মেধা, দক্ষতা ও কাজের সক্ষমতা যাচাই করা উচিত- এমন মত উঠে এসেছে ক্যারিয়ারবিষয়ক এক সেমিনারে।
শনিবার (৩ অক্টোবর) বসুন্ধরা শুভসংঘ প্রধান কার্যালয়ে ‘চাকরির ক্ষেত্রে প্রতিষ্ঠান নয়, মেধার যাচাই করা উচিত’ শীর্ষক এ সেমিনারের আয়োজন করা হয়। এতে তিতুমীর কলেজের শিক্ষার্থীরা অংশ নেন। সেমিনারে উপস্থিত ছিলেন বসুন্ধরা গ্রুপের উপদেষ্টা ও শুভসংঘ প্রধান ইমদাদুল হক মিলন।
সেমিনারে শিক্ষার্থীরা নিয়োগ পরীক্ষায় সরকারি ও বেসরকারি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের প্রার্থীদের মধ্যে বৈষম্যের বিষয়টি তুলে ধরে নিয়োগ প্রক্রিয়াকে আরও দক্ষতাভিত্তিক, স্বচ্ছ ও সমতাপূর্ণ করার ওপর গুরুত্বারোপ করেন।
তারা বলেন, একজন প্রার্থী কোন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান থেকে পড়াশোনা করেছেন, সেটিকে প্রাধান্য না দিয়ে তার প্রকৃত মেধা ও যোগ্যতার মূল্যায়ন করা উচিত।
লিখিত ও ব্যবহারিক পরীক্ষা, দক্ষতা যাচাই, সমস্যা সমাধানভিত্তিক মূল্যায়ন এবং কাঠামোবদ্ধ সাক্ষাৎকারের মাধ্যমে প্রার্থীর সক্ষমতা যাচাই করা হলে সরকারি-বেসরকারি প্রতিষ্ঠানের পরিচয়ের পরিবর্তে যোগ্যতাই নিয়োগের মূল মাপকাঠি হয়ে উঠবে।
সেমিনারে ইমদাদুল হক মিলন বলেন, দেশের বিভিন্ন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান থেকে প্রতিবছর বিপুলসংখ্যক শিক্ষার্থী পড়াশোনা শেষ করে চাকরির বাজারে প্রবেশ করছেন। অনেক ক্ষেত্রে প্রার্থীর শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের পরিচয় তার দক্ষতার চেয়ে বেশি গুরুত্ব পায়। এতে মেধাবী ও দক্ষ অনেক প্রার্থী নিজেদের যোগ্যতা প্রমাণের সমান সুযোগ থেকে বঞ্চিত হতে পারেন।
তিনি আরও বলেন, একটি নির্দিষ্ট শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে পড়াশোনা করাই কোনো ব্যক্তির সামগ্রিক যোগ্যতার একমাত্র মাপকাঠি হতে পারে না। একজন চাকরিপ্রার্থীর বিষয়ভিত্তিক জ্ঞান, সমস্যা সমাধানের দক্ষতা, যোগাযোগ ক্ষমতা, সৃজনশীলতা, প্রযুক্তিগত দক্ষতা, নেতৃত্বের গুণাবলি এবং নতুন কিছু শেখার সক্ষমতাকে নিয়োগের ক্ষেত্রে গুরুত্ব দেওয়া প্রয়োজন।
বসুন্ধরা শুভসংঘ পরিচালক জাকারিয়া জামান জানান, তরুণদের ক্যারিয়ার সম্পর্কে সচেতন করা এবং দক্ষতাভিত্তিক কর্মসংস্থানের গুরুত্ব তুলে ধরতেই এ সেমিনারের আয়োজন করা হয়েছে। ভবিষ্যতেও শিক্ষার্থী ও চাকরিপ্রত্যাশীদের নিয়ে এ ধরনের সচেতনতামূলক ও ক্যারিয়ারভিত্তিক আয়োজন অব্যাহত রাখার কথা জানান তারা।
