লাশের পরিচয়ের ভরসা কেবল ডিএনএ
বিশেষ প্রতিনিধি, কক্সবাজার থেকে
কক্সবাজারের উখিয়ায় মেরিনড্রাইভের পাটুয়ারটেকে ‘টুপটুপ রিসোর্টে’ ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডে নিহত ১০ জনের দেহই পুড়ে একেবারে অঙ্গার হয়ে গেছে। আগুনে লাশগুলো এতটাই বীভৎসভাবে পুড়ে কয়লায় পরিণত হয়েছে যে, উপস্থিত স্বজনদের পক্ষে তা দেখে শনাক্ত করা একেবারেই অসম্ভব হয়ে পড়েছে। ফলে নিহত হতভাগ্য পর্যটকদের পরিচয় নিশ্চিত করতে এখন বাধ্য হয়েই ডিএনএ পরীক্ষার শরণাপন্ন হতে হচ্ছে প্রশাসনকে।
পুলিশ ও ফায়ার সার্ভিস কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, শনিবার সকালে লাগা এই ভয়াবহ আগুন ফায়ার সার্ভিসের কর্মীদের টানা দুই ঘণ্টার আপ্রাণ চেষ্টায় সকাল সাড়ে ৮টার দিকে নিয়ন্ত্রণে আসে। এরপরই রিসোর্টের ধ্বংসস্তূপ থেকে একে একে উদ্ধার করা হয় ১০টি দগ্ধ লাশ।
কক্সবাজারের পুলিশ সুপার এএনএম সাজিদুর রহমান বলেন, লাশগুলোর অবস্থা এতটাই করুণ যে, চেহারা দেখে চেনার কোনো উপায় অবশিষ্ট নেই। তাই ফরেনসিক ও ডিএনএ পরীক্ষার রিপোর্ট পাওয়ার পরই কেবল নিশ্চিত হওয়া যাবে তাদের প্রকৃত পরিচয়। তাই লাশগুলোর সম্ভাব্য আত্মীয় স্বজনদের ডিএনএ নমুনা নিয়ে পরীক্ষা করা হবে লাশের পরিচয় নিশ্চিত হওয়ার জন্য।
ইনানী পাটুয়ারটেক এলাকায় টুপটুপ রিসোর্টে অগ্নিকাণ্ডে নিহত হয়েছেন ঢাকা জেলা ছাত্রদলের সহ-সভাপতি দেওয়ান ফয়সালের স্ত্রী নাসরিন আক্তার মুক্তা। স্ত্রী পরিচয় নিশ্চিত হওয়ার বিষয়ে তিনি বলেন, ‘ডিএনএ পরীক্ষা ছাড়া আমার স্ত্রীর পরিচয় নিশ্চিত হওয়া সম্ভব নয়। তাই ডিএনএ পরীক্ষার কথা বলেছে প্রশাসন।’
