নিখোঁজ পাইলটের তথ্য ফাঁস, সাংবাদিকদের জেলে পাঠানোর হুমকি ট্রাম্পের

অনলাইন ডেস্ক

ইরানে বিধ্বস্ত মার্কিন যুদ্ধবিমান এফ-১৫-এর দ্বিতীয় বৈমানিকের নিখোঁজ হওয়ার খবরটি আগে জানত না তেহরান। প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প দাবি করেছেন, মার্কিন প্রশাসনের অভ্যন্তরে থাকা একজন ‘তথ্যফাঁসকারী’ এই গোপন সংবাদটি গণমাধ্যমে ছড়িয়ে দেওয়ায় বিপাকে পড়েছে উদ্ধার অভিযান।

সোমবার হোয়াইট হাউসের ব্রিফিং রুমে বক্তব্য দেওয়ার সময় ট্রাম্প এই ঘটনায় চরম ক্ষোভ প্রকাশ করেন এবং সংশ্লিষ্ট গণমাধ্যমকে সরাসরি হুঁশিয়ারি দেন।

ট্রাম্প বলেন, মার্কিন বাহিনী সফলভাবে একজন বৈমানিককে উদ্ধার করলেও দ্বিতীয় জনের খোঁজে তল্লাশি চালিয়ে যাচ্ছিল। কিন্তু সংবাদমাধ্যমে খবরটি আসার আগে ইরান জানত না যে আরও একজন বৈমানিক নিখোঁজ রয়েছেন। এই তথ্যটি প্রকাশ্যে আসার পরপরই উদ্ধার অভিযান কয়েক গুণ কঠিন হয়ে পড়ে। কারণ খবরটি দেখার পর ইরান সরকার তাৎক্ষণিকভাবে ওই বৈমানিককে আটক করতে বিশাল অংকের পুরস্কার ঘোষণা করে। এতে স্থানীয় পর্যায়ে ওই সেনাকে খুঁজে বের করার জন্য এক ধরনের শিকার শুরু হয়ে যায়, যা মার্কিন বাহিনীর পরিকল্পনাকে ঝুঁকিতে ফেলে দেয়।

তথ্যফাঁসকারীকে ‘অসুস্থ ব্যক্তি’ হিসেবে আখ্যায়িত করে ট্রাম্প জানান, জাতীয় নিরাপত্তার স্বার্থে এই ঘটনার শেষ দেখা হবে। তিনি হুঁশিয়ারি দিয়ে বলেন, কর্তৃপক্ষ সরাসরি ওই সংবাদমাধ্যমের কাছে যাবে যারা প্রতিবেদনটি প্রকাশ করেছে। তারা যদি তথ্যের উৎস বা সোর্সের পরিচয় প্রকাশ না করে, তবে তাদের কারাদণ্ডের মুখোমুখি হতে হবে।

ট্রাম্পের ভাষায়, ‘হয় সোর্সের নাম দিন, নয়তো জেলে যান।’ তবে ঠিক কোন সংবাদমাধ্যম এই খবরটি প্রথম প্রকাশ করেছে, তা তিনি স্পষ্ট করেননি।

সূত্র: এনডিটিভি

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Verified by MonsterInsights