পর্তুগাল-ক্রোয়েশিয়া ম্যাচে সর্বোচ্চ গোল বাতিল
অনলাইন ডেস্ক
শেষ ষোলোর নকআউট পর্বে কানাডার টরন্টোর মাঠে দেখা গেল ফুটবল ইতিহাসের অন্যতম শ্বাসরুদ্ধকর এক ম্যাচ। বিশ্বকাপের ইতিহাসে প্রথমবারের মতো এই ম্যাচে চারটি গোল বাতিল করা হয়েছে। এর মধ্যে ক্রোয়েশিয়ার তিনটি এবং পর্তুগিজ তারকা রোনালদোর একটি গোলও বাতিল করা হয়।
টরন্টোয় অনুষ্ঠিত ম্যাচে দ্বিতীয়ার্ধের শুরুতে দ্বিতীয়ার্ধের শুরুতেই এগিয়ে যায় ক্রোয়েশিয়া। পরে অফসাইডের কারণে তাদের আরেকটি গোল বাতিল হয়। এরপর পেনাল্টি পায় পর্তুগাল। স্পটকিকে দাঁড়িয়ে ৪১ বছর বয়সী রোনালদো কোনো ভুল করেননি।
নির্ধারিত ৯০ মিনিটের খেলা শেষে ১-১ সমতা থাকায় ম্যাচ গড়ায় অতিরিক্ত সময়ে। এ সময় যোগ করা সময়ের চতুর্থ মিনিটে রাফায়েল লিয়াও-এর নিখুঁত ক্রস থেকে লাফিয়ে উঠে দুর্দান্ত হেডে পর্তুগালকে এগিয়ে দেন গনসালো রামোস।
২-১ ব্যবধানে পিছিয়ে থাকা ক্রোয়েশিয়া ম্যাচের একেবারে শেষ মুহূর্তে গোল আদায় করে। ১০৩ মিনিটের মাথায় পর্তুগালের ডি-বক্সে উড়ে আসা একটি দূরপাল্লার পাস বুক দিয়ে নিয়ন্ত্রণে নেন মারিও পাসালিচ। এরপর তিনি বলটি বাড়িয়ে দেন জোসকো গভার্দিওলের দিকে, যিনি স্লাইডিং শটে গোল করেন।
তবে অনফিল্ড রেফারি ভিডিও অ্যাসিস্ট্যান্ট রেফারির সাহায্য নেন। শুরুতে মনে হয়েছিল, পাসালিচ যখন বলটি রিসিভ করেন, তখন সেটি পর্তুগিজ ডিফেন্ডার রেনাতো ভেইগার গায়ে লেগে দিক পরিবর্তন করে এসেছিল, যা পাসালিচকে ‘অনসাইড’ রাখত।
কিন্তু ভিএআর রিভিউয়ে গোলটি বাতিল হয়। পরে বিশ্ব ফুটবলের নিয়ন্ত্রক সংস্থা ফিফা পরবর্তীতে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্স-এ বিষয়টি স্পষ্ট করে জানায়। ২-১ গোলে হেরে বিশ্বকাপ থেকে বিদায় নিয়েছে ক্রোয়েশিয়া। এ জয়ে পর্তুগাল আগামী ৬ জুলাই ডালাসে স্পেনের মুখোমুখি হবে।
সূত্র: গার্ডিয়ান।
