বরিশালেও বাজার থেকে উধাও পিঁয়াজ, এক রাতেই দাম দ্বিগুণ

আগামী মার্চ পর্যন্ত ভারত পিঁয়াজ রফতানি করবে না- এমন ঘোষণার পরই অস্থির বরিশালের বাজার। এক রাতের মধ্যে পিঁয়াজের দাম প্রায় দিগুণ বেড়েছে। এতে নাখোশ ক্রেতারা। বিক্রেতাদের দাবি, তারা যে দামে পিঁয়াজ কিনেছেন সেই দামের সঙ্গে সামান্য লাভ রেখে বিক্রয় করছেন। কেন দাম বেড়েছে তার কোন সদুত্তর নেই তাদের কাছে। এদিকে পিঁয়াজের বাজার স্থিতিশীল রাখতে আজ বরিশালে অভিযান চালিয়েছে ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তর।

গত ৩ দিন আগেও বরিশালের খুচরা বাজারে প্রতি কেজি পিঁয়াজ বিক্রি হয়েছে ৯০ থেকে ৯৫ টাকা কেজি দরে। ভারত আগামী মার্চ পর্যন্ত পিঁয়াজ রফতানি করবে না বলে গতকাল শুক্রবার ঘোষণা দেয়ার পরই এক রাতের মধ্যে বরিশালের বাজার থেকে পিঁয়াজ উধাও হয়ে গেছে। যে সব আড়তে অল্পকিছু পিঁয়াজ আছে তারাও পাইকারি ১৬০ টাকা কেজি করে বিক্রি করছে। খুচরা দোকানে যা বিক্রি হচ্ছে ১৭০ টাকা কেজি দরে। অযৌক্তিকভাবে দাম বেড়ে যাওয়ায় ক্ষুব্ধ ক্রেতারা।

দোকানিদের দাবি, তারা যে দামে পিঁয়াজ কিনেছেন সেই দামের সঙ্গে সামান্য লাভ রেখে বিক্রি করছেন। কেন দাম বেড়েছে তা জানা নেই তাদের।
এদিকে হঠাৎ পিঁয়াজের বাজার অস্থির হওয়ায় বরিশালের বাজারে অভিযান চালিয়েছে ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তর। কোন কারণ ছাড়াই অতিরিক্ত মূল্যে পিঁয়াজ বিক্রি করায় নগরীর পিয়াজপট্টির ৬টি আড়ৎ থেকে ৯৫ হাজার টাকা জরিমানা আদায় করেছে তারা। পিঁয়াজের বাজার স্থিতিশীল করতে এই অভিযান অব্যাহত থাকবে বলে জানিয়েছেন ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তরের উপ-পরিচালক অপূর্ব অধিকারী।

এক সপ্তাহ আগে বরিশালের বাজারে ৬০ থেকে ৭০ টাকা কেজি দরে বিক্রি হওয়া চায়না পিঁয়াজও বিক্রি হচ্ছে ১১০ থেকে ১২০ টাকা কেজি দরে।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Verified by MonsterInsights