মাদকের বিরুদ্ধে কথা বলায় শিক্ষক ও তার পরিবারকে হত্যা: ত্রাণমন্ত্রী

নিজস্ব প্রতিবেদক, রংপুর

দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণমন্ত্রী আসাদুল হাবীব দুলু বলেছেন, ‘আমি এখানে এসে জানতে পারলাম, মাদকাসক্তরা গণপতি স্যারকে অনেক ডিস্টার্ব করত। মাদকের বিরুদ্ধে কথা বলায় স্যারসহ তার পরিবারকে হত্যা করা হয়েছে। ইতোমধ্যে দুই অভিযুক্তকে পুলিশ গ্রেফতার করেছে। অল্প সময়ের মধ্যেই শিক্ষক গণপতি চক্রবর্তীসহ তার পরিবারের চার সদস্যকে হত্যায় জড়িতদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি নিশ্চিত করা হবে।’

রবিবার দুপুরে রংপুর নগরীর মাছুয়াপাড়ায় গণপতি চক্রবর্তীর বাড়ি পরিদর্শন শেষে তিনি সাংবাদিকদের এ কথা বলেন।

মন্ত্রী বলেন, মাদকের বিরুদ্ধে কথা বলায় চার হত্যাকাণ্ডের ঘটনাটি অধিকতর তদন্তের পর পুলিশ আদালতে চার্জশিট দাখিল করবে।

এ সময় আসাদুল হাবীব দুলু মাদকের বিরুদ্ধে সামাজিক আন্দোলন গড়ে তোলার আহ্বান জানান। তিনি বলেন, হত্যাকাণ্ডের মূল আসামি স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দিয়েছেন। এই হত্যার পেছনে রয়েছে মাদক।

সরকার মাদকের বিষয়ে সর্বোচ্চ সাজা মৃত্যুদণ্ড করেছে উল্লেখ করে তিনি বলেন, পাড়া-মহল্লায় মাদকের বিরুদ্ধে সামাজিক আন্দোলন গড়ে তুলতে হবে। জনগণ ও আইনশৃঙ্খলা বাহিনী যৌথভাবে কাজ না করলে মাদক নির্মূল করা যাবে না। মাদক কারবারি, পরিবহণকারী ও সেবনকারীদের আইনের আওতায় আনতে হবে।

তিনি বলেন, ‘বর্তমান সরকার হত্যাকাণ্ডের বিরুদ্ধে জিরো টলারেন্স নীতি গ্রহণ করেছে। রামিশা হত্যা মামলায় দ্রুত সময়ের মধ্যে চার্জশিট দেওয়া হয়েছে। তার বিচারকাজ শেষ হয়েছে। আমরা এলাকায় নন্দিনী নামে একটি বাচ্চা মেয়েকে হত্যার ঘটনায় ১৫ দিনের মধ্যে বিচারকাজ শেষ হয়েছে।’

এ সময় উপস্থিত ছিলেন রংপুর উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের চেয়ারম্যান সামসুজ্জামান সামু, জেলা প্রশাসক ইসরাত জাহান, জেলা পরিষদ প্রশাসক সাইফুল ইসলামসহ অন্যরা।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Verified by MonsterInsights