ব্যাটে-বলে শেহজাদের ঝলক, ৩৫ রানে জিতল বসুন্ধরা স্ট্রাইকার্স
অনলাইন ডেস্ক
ব্যাট হাতে ২৯ রানের কার্যকর ইনিংস, এরপর বল হাতে এক উইকেট-শেহজাদ আকবর সোবহানের অলরাউন্ড নৈপুণ্যে উইকেন্ড স্পোর্টস ফ্যামিলিকে ৩৫ রানে হারিয়েছে বসুন্ধরা স্ট্রাইকার্স।
এর আগে, আগে ব্যাট করতে নেমে শেহজাদের সঙ্গে মাহিন, সুমন আহমেদ ও অন্তুর ব্যাটিং নৈপুণ্যে ৯ উইকেটে ১৯৮ রানের বড় সংগ্রহ দাঁড় করায় বসুন্ধরা।
জবাবে নির্ধারিত ২০ ওভারে ৯ উইকেটে ১৬৩ রানেই শেষ হয় উইকেন্ড স্পোর্টস ফ্যামিলির ইনিংস। ২৮ বলে ৫০ রানের ইনিংস খেলে ম্যাচসেরা হন মাহিন।
ইনিংসের শুরুতে ওপেনার খালেদ আহমেদ দ্রুত বিদায় নেন। তবে ব্যক্তিগত ইনিংসে ২৮ বলে ৫০ রান করেন অন্য ওপেনার মাহিন। মোট ৬টি চার ও ২টি ছক্কায় ইনিংস সাজিয়েছেন তিনি।
এছাড়া, মাত্র ২৭ বলে ৫৪ রানের ঝড়ো ইনিংস খেলেন সুমন আহমেদ। তার ব্যাট থেকে আসে ৩টি চার ও ৪টি ছক্কা। চারে ব্যাটিংয়ে নামেন শেহজাদ। ব্যক্তিগত ইনিংসে ২৬ বলে ২৯ রান করেন তিনি। তার ইনিংসে ছিল ২টি চার ও ২টি ছক্কা। দলীয় রানের গতি বাড়াতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখেন এই ব্যাটার।
শেষ দিকে মাত্র ১৫ বলে ৪১ রানের দুর্দান্ত ইনিংস খেলে অপরাজিত থাকেন অন্তু। তার ইনিংসে ছিল ৪টি চার ও ৩টি ছক্কা।
বসুন্ধরার ইনিংসে অন্যতম আকর্ষণ ছিলেন শেহজাদ। তিনি ক্রিজে নামতেই পুরো গ্যালারি আনন্দে মেতে ওঠে। বসুন্ধরা ক্রিকেট একাডেমির শিক্ষার্থীরা উৎসবমুখর পরিবেশে খেলা উপভোগ করেন। ঢাকঢোলের ছন্দে বসুন্ধরা ক্রিকেট গ্রাউন্ডে স্ট্রাইকার্সের ব্যাটারদের চার-ছক্কার ঝড় দর্শকদের মাতিয়ে রাখে।
১৯৯ রানের লক্ষ্য তাড়া করতে নেমে শুরুতেই উইকেট হারায় উইকেন্ড স্পোর্টস ফ্যামিলি। ওপেনার ইমরান শিকদার ১৪ বলে ২১ রান করেন। আর ৫ রানে ফেরেন রিয়াদ ফয়সাল। রানের খাতা খোলার আগেই আউট হন আকাশ।
মাঝের দিকে জুবায়ের নোবিন ১৬ বলে ২১ রান এবং ডা. হোসেন বিল্লাল খান পলাশ ২১ বলে ৩৯ রানের ঝোড়ো ইনিংস খেলে জয়ের আশা জাগান। পলাশের ইনিংসে ছিল ৪টি চার।
তবে শেষ পর্যন্ত সাদ্দাম হোসেনের ২৯ বলে ৪০ রানও দলকে লক্ষ্যে পৌঁছে দিতে পারেনি। শেষ ওভারে সাদ্দাম আউট হলে ১৬৩ রানেই থামে উইকেন্ড স্পোর্টস ফ্যামিলির ইনিংস।
বসুন্ধরার হয়ে লাজিম তিনটি এবং তাপস ঘোষ দুটি উইকেট শিকার করেন। একটি করে উইকেট নেন শেহজাদ, খালেদ ও রনি।
দেশের শীর্ষস্থানীয় করপোরেট প্রতিষ্ঠান, ব্যাংক ও বহুজাতিক কোম্পানির অংশগ্রহণে চলছে ফ্রস্ট ব্লাস্ট টি-টোয়েন্টি করপোরেট ক্রিকেটের তৃতীয় আসর। এবারের আসরে অংশ নিচ্ছে ১০টি দল। তিনটি গ্রুপে ভাগ হয়ে হচ্ছে গ্রুপ পর্বের খেলা। এরপর কাপ ও প্লেট—দুটি আলাদা শিরোপার জন্য লড়বে দলগুলো।
