খালি হাতে ফিরলেও ভবিষ্যতের স্বপ্ন দেখছে জর্ডান

অনলাইন ডেস্ক

প্রথমবারের মতো বিশ্বকাপে খেলতে এসে কোনো পয়েন্ট না পেলেও ভবিষ্যৎ নিয়ে আশাবাদী জর্ডান। কঠিন একটি গ্রুপে তিনটি ম্যাচেই হারলেও প্রতিটি লড়াইয়ে প্রতিপক্ষকে সমানতালে চ্যালেঞ্জ জানিয়েছে দলটি। তাই এই অভিজ্ঞতা আগামী দিনে জর্ডানের ফুটবলকে আরও শক্তিশালী করবে বলে বিশ্বাস কোচ জামাল সেল্লামির।

বিশ্বচ্যাম্পিয়ন আর্জেন্টিনা, অস্ট্রিয়া ও আলজেরিয়ার মতো শক্তিশালী দলের সঙ্গে একই গ্রুপে পড়েছিল জর্ডান। তিনটি ম্যাচেই হারতে হয়েছে তাদের। তবে প্রতিটি ম্যাচেই গোল করেছে দলটি এবং কোথাও নিজেদের অসহায় মনে হয়নি। কোচের মতে, এই বিশ্বকাপ তার ফুটবলারদের আরও পরিণত করে তুলেছে এবং ভবিষ্যতের আন্তর্জাতিক প্রতিযোগিতায় এর সুফল মিলবে।

জামাল সেল্লামি বলেন, বর্তমান প্রজন্মের তরুণ ফুটবলারদের সামনে উজ্জ্বল ভবিষ্যৎ রয়েছে। বিশ্বকাপে খেলার অভিজ্ঞতা তাদের আত্মবিশ্বাস বাড়াবে। তবে আরও এগিয়ে যেতে হলে ফুটবলারদের ইউরোপের বড় বড় লিগে নিয়মিত খেলতে হবে। সেখানে প্রতিদ্বন্দ্বিতার মান অনেক বেশি, যা একজন খেলোয়াড়কে আরও উন্নত করে।

তিনি বলেন, এবারের বিশ্বকাপেও দেখা গেছে, আফ্রিকার অংশ নেওয়া প্রায় সব দলই নকআউট পর্বে জায়গা করে নিয়েছে। অথচ এশিয়া থেকে মাত্র দুটি দল পরের পর্বে উঠেছে। এর অন্যতম কারণ, আফ্রিকার অনেক ফুটবলার ইউরোপের শীর্ষ পর্যায়ের ক্লাব ও লিগে নিয়মিত খেলেন। সেই অভিজ্ঞতাই তাদের বড় মঞ্চে এগিয়ে রাখে।

জর্ডানের বিশ্বকাপ দলে ইউরোপের শীর্ষ পাঁচটি লিগে নিয়মিত খেলা ফুটবলার ছিলেন মাত্র একজন। তাই ভবিষ্যতে আরও বেশি খেলোয়াড় যদি শক্তিশালী লিগে খেলার সুযোগ পান, তাহলে জাতীয় দলের মানও অনেক উন্নত হবে বলে মনে করেন সেল্লামি।

বিশ্বকাপ থেকে কোনো পয়েন্ট ছাড়াই বিদায় নিতে হলেও নিজের দলের পারফরম্যান্সে সন্তুষ্ট জর্ডানের কোচ। তিনি বলেন, এই আসর থেকে ফুটবলাররা অমূল্য অভিজ্ঞতা অর্জন করেছে। তাদের লড়াই, আত্মবিশ্বাস ও মানসিকতা নিয়ে তিনি গর্বিত। তার আশা, আগামী দিনে জর্ডানের ফুটবল আরও এগিয়ে যাবে এবং ভবিষ্যতের বিশ্বকাপগুলোতেও দলটি নিয়মিত অংশ নেবে।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Verified by MonsterInsights